শনিবার ১৬ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৮ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

লাখো পূণ্যার্থীর সাধু সাধু ধ্বনিতে মুখরিত রাজবন বিহার

নভেম্বর ৮, ২০১৯ | ১০:৪২ অপরাহ্ণ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

রাঙ্গামাটি: লাখো পূণ্যার্থীর সাধু সাধু ধ্বনিতে রাঙ্গামাটি রাজবন বিহারে শেষ হলো ৪৬তম দানোত্তম কঠিন চীবর দান উৎসব।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে পূণ্যার্থীরা বনভান্তের স্মৃতির উদ্দেশে কল্পতরু এবং চীবর দান করেন। চীবর গ্রহণ করেন রাজবন বিহারের আবাসিক প্রতিনিধি শ্রীমৎ প্রজ্ঞালঙ্কার মহাস্থবির।

সকাল ৬টায় বুদ্ধ পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দুই দিনব্যাপী উৎসবের সমাপনী কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয় দেব-মানবের তথা সব প্রাণীর হিতার্থে ধর্মদেশনা।

বিজ্ঞাপন

এতে উপস্থিত ছিলেন রাজবন বিহারের আবাসিক প্রধান শ্রীমৎ প্রজ্ঞালঙ্কার মহাস্থবির। চীবর তৈরির পর দুপুর ১টায় শোভাযাত্রা নিয়ে কঠিন চীবর ও কল্পতরু মঞ্চে আনা হয়। পঞ্চশীল গ্রহণের পর দুপুর আড়াইটায় বনভান্তের মানব প্রতিকৃতির উদ্দেশে কঠিন চীবর উৎসর্গ করা হয়।

দানোৎসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য বাসন্তী চাকমা, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ, চাকমা সার্কেল চিফ ও রাজবন বিহারের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় ও চাকমা সার্কেলের উপদেষ্টা রানী ইয়েন ইয়েন, রাজবন বিহার উপাসক-উপাসিকা পরিষদের সহ-সভাপতি গৌতম দেওয়ানসহ অনেকে।

শ্রীমৎ প্রজ্ঞালঙ্কার মহাস্থবির বলেন, এই উৎসবে পার্বত্য অঞ্চলসহ সারাবিশ্বের মানুষের শান্তি কামনা করা হয়। আগামী দিনগুলোতে যেন মারামারি হানাহানি বন্ধ হয়। সুখে শান্তিতে সবাই মিলে পৃথিবীতে বসবাস করতে পারি।

এর আগে গতকাল (বৃহস্পতিবার) বেইনঘর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দানোত্তম কঠিন চীবর দান উৎসব। প্রতি বছরের মতো এবারও উৎসবে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয়।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এটি

Advertisement
বিজ্ঞাপন

Tags:

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন