শনিবার ১৬ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৮ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

ভোলায় আশ্রয়কেন্দ্রে ভিড় করছে হাজারো আতঙ্কিত মানুষ

নভেম্বর ৯, ২০১৯ | ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

ভোলা: প্রবল ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে ভোলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এতে করে দ্বীপ জেলার বিচ্ছিন্ন চরগুলোর বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। তারা আশ্রয় নিচ্ছে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে।

বিজ্ঞাপন

রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সদস্যরা শুক্রবার (৮ নভেম্বর) রাতে চরাঞ্চলের মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে জন্য প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।

জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে মনপুরা ও ঢালচরের ৭ হাজারেরও বেশি মানুষ বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে।

আরও পড়ুন:-  ‘শনিবার উপকূলে আঘাত হানতে পারে বুলবুল’

বিজ্ঞাপন

মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, রেড ক্রিসেন্ট, সিপিপি ও স্কাউটসের মোট ১৩ হাজার স্বেচ্ছাসেবী ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে। মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের আশ্রয়কেন্দ্রের আনার কাজ শুরু হয়ে গেছে। অব্যাহত রয়েছে প্রচারণা।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ভোলার জন্য নগদ ১০ লক্ষ টাকা, দুই’শ মেট্রিকটন চাল ও দুই হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার পাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম ছিদ্দিক।

তিনি জানান, ভোলায় ৬৬৮টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে একটিও প্রাণহানি যাতে না ঘটে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সে বিষয়ে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, গবাদিপশুর জন্য ৩৯টি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কোনো আশ্রয়কেন্দ্র বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা শিক্ষকগণ যদি এগুলো খুলে দিতে দেরি করে অথবা দায়িত্বে অবহেলা করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান জেলা প্রশাসক।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এনএইচ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন