বিজ্ঞাপন

ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫

November 9, 2019 | 12:11 pm

ঢাবি করেসপন্ডেন্ট

ঢাবি: ঢাকা সরকারি ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৯ নভেম্বর) সকাল আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে ৪-৫ জন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের একাধিক যুগ্ম-আহ্বায়ক সারাবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞাপন

সূত্র জানায়, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা হলের ২১৯ নম্বর কক্ষে নাবিলা নামে একজন বহিরাগতকে রাখতেন ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রুপা। তাকে কেন্দ্র করেই হলের ছাত্রলীগের অন্য গ্রুপের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকজনকে মারধর ও সাবিকুন্নাহার তামান্না নামে একজনের হাতে ছুরি দিয়ে কোপ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে রুপার বিরুদ্ধে। পরে অন্যপক্ষ রুপার গ্রুপের কর্মীদের ওপর পাল্টা হামলা করে। পরে বহিরাগত নাবিলাকে লালবাগ থানায় হল প্রশাসনের মাধ্যমে সোপর্দ করা হয়।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহনাজ বলেন, ‘মারামারি হয়েছে শুনেছি। ঘটনার বিস্তারিত জানি না।’

বিজ্ঞাপন

এদিকে ঘটনার পর থেকে ইডেন কলেজ গেটে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ইডেন কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘সকাল থেকে গেটে প্রবেশে কড়াকড়ি ছিল।’

জানতে চাইলে ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রুপা সারাবাংলাকে বলেন, ‘আমি কোনো সমর্থক তৈরি করিনি যারা কাউকে হামলা করবে বা মারধর করবে। ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আনজুমানারা অনুর সমর্থকরা বঙ্গমাতা হলে গিয়ে আমার চার-পাঁচ জন কর্মীর উপর হামলা করেছে। পরে রাজিয়া হলের ২০৮ নম্বর কক্ষ থেকে আমার আইফোন ও ১৭ হাজার টাকা ছিনতাই করেছে।’

এ সময় তিনি অভিযোগ করেন কোন বিবাহিত ও প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত ছিল। আমি তার মতো কখনো মাত্র শক্ত হয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি প্রথমে খবর পেয়েছিলাম নাবিলা নামের একটা মেয়েকে তারা মারধর করেছে। খবর পেয়ে আমি গেলে আমাকে মারধর করে কাপড় ছিড়ে দেওয়া হয়। তারা ৬টি হলের প্রত্যেকটি পলিটিক্যাল রুমে গিয়ে রুমের কর্মীদের মারধর করেছে।’ নাবিলা তার চাচাতো বোন এবং ইডেন কলেজের ডিগ্রির স্টুডেন্ট বলেও জানান তিনি।

ছাত্রলীগের কলেজ শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আনজুমানারা অনু বলেন, ‘আমি ক্যাম্পাসে ছিলাম না, ঘটনার পরে আসছি। আমি কাউকে মারধর করিনি। সিসিটিভির ফুটেজ রয়েছে। আপনি ইডেন কলেজ প্রিন্সিপালের কাছ থেকে জানতে পারেন।’ এ সময় তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন, ‘আপনার নেশা আমার বিরুদ্ধে নিউজ করা।’

লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আশরাফ উদ্দিন বলেন, ‘আমরা শুনেছি সংঘর্ষ হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ইডেন কলেজ প্রিন্সিপালের সঙ্গে কথা বলছেন।’

সারাবাংলা/কেকে/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন