মঙ্গলবার ১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২১ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

বেশিরভাগ চলচ্চিত্রই ছিল পুরস্কারের অযোগ্য

নভেম্বর ৯, ২০১৯ | ২:৫৫ অপরাহ্ণ

এন্টারটেইনমেন্ট করেসপন্ডেন্ট

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে বিতর্ক থামছেই না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমান তালে সমালোচনা হচ্ছে। তাদের সেই সমালোচনায় যে বিষয়টি পরিস্কার সেটি হলো, যোগ্য লোকদের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দেওয়া হয়নি। বরং বিশেষ অনুরোধে অযোগ্য ব্যক্তি বা ছবিকে চলচ্চিত্র পুরষ্কার দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এবার ২০১৭ ও ২০১৮ সাল মিলিয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য ৭৪টি সিনেমা জমা পড়ে। এরমধ্যে ৩৫টি ছবি ২০১৭ সালে এবং ৩৯টি ছবি জমা পড়েছে ২০১৮ সালের জন্য।

ওই দুই বছরের যেসব ছবি মুক্তি পেয়েছে তার মধ্য থেকে সেরা নির্বাচন করা অত্যন্ত কষ্টদায়ক ছিল বলে জানান, জুরি বোর্ডে থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সদস্য।

তিনি বলেন, যোগ্য লোক তখন পুরষ্কার পাবে যখন দেশে পুরষ্কার পাওয়ার মতো চলচ্চিত্র নির্মিত হবে। যেসব ছবি জমা পড়েছে সেগুলোর বেশিরভাগই পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য নয়। তবু পুরস্কার দিতে বাধ্য হতে হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, তবে আমরা চেষ্টা করেছি বেছে বেছে ভালো সিনেমাকে পুরস্কৃত করতে। তুলনামূলকভাবে যোগ্যদের পুরস্কার দিয়েছি। এটা নিয়ে যে বিতর্ক হচ্ছে তার অমূলক। প্রতি বছর দেখি, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে সমালোচনা করেন অনেকে। কি বুঝে তারা সমালোচনা করেন বুঝি না।

২০১৭ সালের জুরি বোর্ডের সদস্যরা হলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব টেলিভিশন ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শফিউল আলম ভূঁইয়া, সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী কোহিনুর আক্তার সুচন্দা, চলচ্চিত্র অভিনেতা ও প্রযোজক এমএ আলমগীর, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, চিত্রগ্রাহক পংকজ পালিত ও সঙ্গীত পরিচালক সুজেয় শ্যাম।

২০১৮ সালের জুরি বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব টেলিভিশন ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শফিউল আলম ভূঁইয়া, চলচ্চিত্র অভিনেতা ড. এনামুল হক, সঙ্গীতশিল্পী ফকির আলমগীর, দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, গীতিকার ও সঙ্গীত পরিচালক হাসান মতিউর রহমান, অভিনেত্রী রওশন আরা রোজিনা, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার ও বাংলাদেশ চিত্রগ্রাহক সংস্থার যুগ্ম–মহাসচিব তপন আহমেদ।

এদিকে শিগগিরই তথ্য মন্ত্রণালয় দিনক্ষণ চূড়ান্ত করে ২০১৭ ও ২০১৮ সালের পুরস্কার একসঙ্গে বিজয়ীদের হাতে তুলে দেবে। নির্ধারিত তারিখে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/আরএসও/এএসজি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন