শুক্রবার ২৪ জানুয়ারি, ২০২০ ইং

আবরারের ময়নাতদন্ত শেষ, প্রতিবেদন ‘শিগগিরই’

নভেম্বর ১০, ২০১৯ | ৭:০৮ অপরাহ্ণ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

নোয়াখালী: আদালতের নির্দেশে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাঈমুল আবরার রাহাতের মরদেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিগগিরিই ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও আদালতে পাঠানো হবে।

বিজ্ঞাপন

রোববার (১০ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে আবরারের মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়।

আরও পড়ুন- আবরারকে মহাখালীতে হাসপাতালে নেওয়া হলো কেন, প্রশ্ন সহপাঠীদের

বিজ্ঞাপন

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেড়ছে, আবরারের ময়নাতদন্ত করেন নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম, ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মাসুদুর রহমান ও মেডিকেল অফিসার ডাক্তার ফাহিমা খাতুন ঊর্মি।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম সাংবাদিকদের বলেন, নাঈমুল আবরার রাহাতের মরদেহের ময়নাতদন্ত আজ (রোববার) বিকেল ৩টায় শেষ হয়েছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও আদালতে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন- আদালতে অঝোরে কাঁদলেন আবরারের পিতা

এর আগে, শনিবার (৯ নভেম্বর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইলিশায় রিসিলের উপস্থিতিতে সোনাইমুড়ী উপজেলার ৮ নম্বর সোনাপুর ইউনিয়নের ধন্যপুর গ্রামের মাওলানা মোহাম্মদ উল্যার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থান থেকে আবরারের লাশ তোলা হয়

এসময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আব্দুল আলিম এবং পুলিশের চার সদস্য উপস্থিত ছিলেন। লাশ তোলার প্রক্রিয়াটির সার্বিক তদারকি করেন সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা টিনা পাল ও সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সামাদ। এসময় সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।

গত ১ নভেম্বর ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রথম আলোর ম্যাগাজিন কিশোর আলোর বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় ওই স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাঈমুল আবরার। এ ঘটনায় শুরুতে মোহাম্মদপুর থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেন আবরারের বাবা মো. মুজিবুর রহমান। পরে ৬ নভেম্বর প্রথম আলো কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করে দৈনিকটির সম্পাদকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন তিনি।

আবরারের বাবার জবানবন্দি গ্রহণ করে ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর হাকিম মো. আমিনুল হক ময়নাতদন্তের জন্য আবরারের লাশ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের হওয়া অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে তার বাবার নালিশি মামলাটিও একইসঙ্গে তদন্ত করতে বলেন আদালত। এসময় আগামী ১ ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে মোহাম্মদপুর থানার ওসিকে নির্দেশ দেন ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর হাকিম।

আরও পড়ুন-

‘আবরারের মৃত্যু দুর্ঘটনা নয়, হত্যাকাণ্ড’

আবরারের মৃত্যু: প্রথম আলোর কাছে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি

আবরারের মৃত্যু নিয়ে মন্ত্রিপরিষদে উদ্বেগ, কারণ উদঘাটনে তদন্ত হবে

সারাবাংলা/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন