রবিবার ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১০ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

তূর্ণা-উদয়ন সংঘর্ষে আহত দু’জন ঢামেকে ভর্তি

নভেম্বর ১২, ২০১৯ | ৫:৫২ অপরাহ্ণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় তূর্ণা নিশীথা এক্সপ্রেস ও উদয়ন এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় আহত দু’জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের একজনের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে, অন্যজনের পায়ে আঘাত রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সকালে মুন্না মিয়া (২৫) ও বিকেলে মির্জা মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন সৈকতকে (২৭) ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সকালে মুন্না মিয়ার স্বজনরা তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসেন। এসময় মুন্না জানান, তার বাবা মৃত মো. ওমর আলী। তাদের বাড়ি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার মহুল্লসুনাম গ্রামে। একটি গ্রিলের দোকানে তিনি কাজ করেন। বন্ধুদের সঙ্গে উদয়ন ট্রেনে করে চট্টগ্রাম যাচ্ছিলেন তিনি। পথে দুর্ঘটনার শিকার হলে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে, পরে স্বজনরা তাকে ঢাকায় নিয়ে আসেন।

এদিকে, বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল থেকে ঢামেক হাসাপাতালে নিয়ে আসা হয় সাইফুদ্দিন সৈকতকে। সৈকতের ছোট ভাই মো. সাকিব জানান, তাদের বাড়ি নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে। বেশ কিছুদিন ধরে সৈকত বেকার। সপ্তাহখানেক আগে সৈকত তার বাসা থেকে এক কাজে সিলেট গিয়েছিলেন। সেখান থেকে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু দুর্ঘটনার শিকার হয়ে তিনি এখন হাসপাতালে।

বিজ্ঞাপন

সাকিব আরও জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালে আসার পর তারা সৈকতের মাথায় ব্যান্ডেজ দেখতে পান। তার চোখ দু’টোও ফুলে কালো হয়ে গেছে।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, আহত সৈকতের মাথা ছাড়াও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত রয়েছে। অন্যদিকে মুন্নার ডান পায়ে আঘাত রয়েছে।

এর আগে, মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) ভোর পৌনে ৪টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী তূর্ণা নিশীথা এক্সপ্রেসের সাথে সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেসের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় সর্বশেষ ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন শতাধিক।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। তিনি জানান, তূর্ণা নিশীথার চালক সিগন্যাল অমান্য করা ভুল বোঝাবুঝি থেকে এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটনে পাঁচটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এরই মধ্যে তূর্ণা নিশীথা এক্সপ্রেস ট্রেনের চালক, সহকারী চালকসহ তিন জনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএসআর/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন