রবিবার ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ৩১ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৫ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

‘জলবায়ু পরিবর্তন খুব খারাপ নয়’

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৮ | ২:৩৩ অপরাহ্ণ

সারাবাংলা ডেস্ক

বিজ্ঞাপন

সারাবিশ্ব যেখানে জলবায়ু পরিবর্তনরোধে সোচ্চার সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শোনালেন ভিন্ন কথা। তার মতে জলবায়ু পরিবর্তন নাকি খুব খারাপ কিছু নয়। স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক এক বিশেষ সভায় এ মন্তব্য করেছেন তিনি।

সিএনএন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তররের আয়োজন করা জলবায়ু বিষয়ক এক সভায় মঙ্গলবার উপস্থিত ছিলেন ট্রাম্প। সেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরেন পরিবেশবিদরা।  সেখানে গত বছরে যুক্তরাজ্য ও কানাডাজুড়ে বন্যা ও শীতের প্রকোপের চিত্র তুলে ধরা হয়। দেখানো হয় কানাডার অন্যতম বড় বন্দর কুইবেকের পাশে সেন্ট লরেন্স নদী জমে বরফে পরিণত হয়েছে। তুমুল বর্ষণে বন্যায় ডুবে গেছে ফ্লোরিডা ও মিসিসিপির বড় অংশ। প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অন্য অঙ্গরাজ্যগুলোতেও।

এসব আলোচনার পর সভায় ট্রাম্প বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে জলবায়ু পরিবর্তন খুব খারাপ কিছু নয়। যুক্তরাষ্ট্র এর উপভোগ্য দিকটার কথাও ভাবতে পারে। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আর্থিক ক্ষতি কমাতে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে বলে উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প।

অবশ্য ট্রাম্পের এই কথার সমালোচনা যে হয়নি তা কিন্তু নয়। মার্কিন সিনেটের রিপাবলিকান সদস্যদেরই একজন প্রতিমা জয়াপাল সিএনএনের খবরে রিটুইট করেন, ‘আবহাওয়া পরিবর্তন আর জলবায়ু বিষয়টি এক নয়। আশা করি প্রেসিডেন্ট এটা বুঝবেন। আর এটা বোঝা খুব কঠিন কিছুও নয়।’

বিজ্ঞাপন

এর আগেও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে যুক্তরাষ্ট্রে অস্বাভাবিক ঠাণ্ডা নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন ট্রাম্প। চলতি বছরের জানুয়ারির তীব্র শীতে ফ্লোরিডায় অবস্থিত নিজের রিসোর্ট ‘মার এ লোগো’তে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে বসে টুইট করেছিলেন, ‘সুখবর!! যুক্তরাষ্ট্র ঠাণ্ডায় রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে। আমরা এই দারুণ আবহাওয়া উপভোগ করতে পারি। অবশ্য অন্য দেশের জন্য এটা সুখকর নাও হতে পারে।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবশ্য বরাবরই জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর দিকগুলো মানতে নারাজ। নিজের নির্বাচনী প্রচারণায়ও তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়গুলোকে চীনের ভাঁওতাবাজি বলে ব্যাখ্যা করেছিলেন। সেসময় তিনি নির্বাচিত হলে জলবায়ু পরিবর্তনের ফাণ্ড বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরে ২০১৫ সালে প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি যুক্তরাষ্ট্র।

সারাবাংলা/এসবি

Advertisement
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন