মঙ্গলবার ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১২ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

‘ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন হয় না, লালন-পালন হয়’

নভেম্বর ১৪, ২০১৯ | ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে ঠিক দারিদ্র্য বিমোচন হয় না, দারিদ্র্য লালন পালন হয়। স্বাধীনতার পর জাতির পিতা এটা শুরু করেছিলেন। যদিও আমার দেশে কেউ কেউ এই ক্ষুদ্রঋণের প্রবক্তা সেজে বিশ্বে নিজের অনেক ভালো নামটাম করে ফেললেও দেশের মানুষ ততটা সুফল পেতে পারেনি।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পল্লীকর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) উন্নয়ন মেলা-২০১৯’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আমাদের দেশ এগিয়ে যাক। আমরা একটি সময় দেখেছি, যখন মিলিটারি ডিটেকটররা ক্ষমতায় থাকে তখন সরকার থাকে দুর্বল। তাদের কোনো ভিত্তি থাকে না অর্থাৎ জনগণের কোনো শক্তি থাকে না। তারা নির্ভরশীল হয়ে পড়ে এমন একটা ব্যবস্থায়, পরের কাছে হাত পেতে চলা আর নিজেরাই অর্থশালী সম্পদশালী হয়। দেশের মানুষ ক্ষুধা-দারিদ্র্য যন্ত্রণায় তারা দিনের পর দিন ভুগতেই থাকে। তাদের দিকে দেখার কেউ থাকে না। এটা হল বাস্তবতা।’

আমরা সবসময় একটাই প্রচেষ্টা নিয়েছি যে দারিদ্র্য বিমোচনে প্রথমে কি কি কাজ করা যায়? সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমাদের পরিকল্পনা নেই এবং কাজ করে যাচ্ছি বলেও জানান সরকার প্রধান শেখ হাসিনা।

বিজ্ঞাপন

ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে সমালোচনা করে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একসময় ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে খুব গর্ব করার চেষ্টা করেছে। একসময় আমরাও এটাকে সমর্থন দিয়েছিলাম, ভেবেছিলাম; এর ফলে বোধহয় মানুষ দারিদ্র্য সীমার ওপরে উঠতে পারবে। কিন্তু যখন আমরা বিষয়টা আরও গভীরভাবে দেখলাম, তাতে দেখলাম আসলে এর মাধ্যমে ঠিক দারিদ্র্য বিমোচন হয় না, দারিদ্র্য লালন পালন হয়।’

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এনআর/এমআই

Advertisement
বিজ্ঞাপন

Tags:

KSRM Bangabandhu Tunnel
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন