শনিবার ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ৩০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

শর্ত দিয়ে ২শ কোটি টাকা দিতে রাজি গ্রামীণফোন

নভেম্বর ১৪, ২০১৯ | ১:১৮ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: বিটিআরসিকে শর্ত দিয়ে ২শ কোটি টাকা দিতে রাজি বলে আদালতকে জানিয়েছে গ্রামীণফোন। তবে গ্রামীণফোন তাদের বকেয়া ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার অর্ধেক দিলেও আলোচনায় বসতে রাজি বিটিআরসি। এ মামলার আপিল শুনানিতে আদালতকে এসব কথা জানান গ্রামীণফোন ও বিটিআরসি’র আইনজীবীরা।

বিজ্ঞাপন

এদিকে, পরে এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী সোমবার (১৮ নভেম্বর) দিন ঠিক করেছেন আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ দিন ঠিক করেন।

এর আগে আজ সকালে এ মামলার শুনানিতে গ্রামীণফোনের আইনজীবী ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস আদালতকে বলেন, ‘গত ৩ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয় এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসে আমরা কিছু শর্ত দিয়েছি। তারা শর্তগুলো মানলে আমরা ২ শ কোটি টাকা দিতে রাজি আছি।’

বিজ্ঞাপন

তবে বিটিআরসির আইনজীবী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম গ্রামীণফোনের কাছে পাওনা ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা আদায়ের ওপর ‍নিষেধাজ্ঞার আদেশ স্থগিত দাবি করেন।

পরে বিটিআরসির আরেক আইনজীবী খোন্দকার রেজা-ই রাব্বী সাংবাদিকদের বলেন, ‘গ্রামীণফোনের কাছে পাওনা ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার মধ্যে অর্ধেক টাকা দিতে সম্মত হলে আমরা আলোচনায় বসতে রাজি আছি।’

এ অবস্থায় আদালত এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী সোমবার দিন ঠিক করেন।

গত ২৪ অক্টোবর ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার মধ্যে গ্রামীণফোন আপাতত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) কত টাকা দিতে পারবে তা জানাতে বলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

এর আগে গত ১৭ অক্টোবর গ্রামীণফোনের কাছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) পাওনা ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা আদায়ের ওপর দুই মাসের অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি আবদুল হাকিম ও বিচারপতি ফাতেমা নজীবের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে এই আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে বিটিআরসি।

প্রায় ২৭টি খাতে ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা দাবি করে গ্রামীণফোনকে গত ২ এপ্রিল চিঠি দেয় বিটিআরসি। এই চিঠির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অর্থ আদায়ের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে গ্রামীণফোন নিম্ন আদালতে একটি মামলা করে। এরপর গত ২৮ আগস্ট নিম্ন আদালত গ্রামীণের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন না মঞ্জুর করেন। পরে ওই না মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে গ্রামীণফোন।

পরে ওই আপিলটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে দুই মাসের জন্য গ্রামীনফোনের কাছ থেকে টাকা আদায়ে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এজেডকে/জেএএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন