শনিবার ৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ৯ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

মাত্রাতিরিক্ত দামে পেঁয়াজ বিক্রি, শ্যামবাজারে ৩ দোকানকে জরিমানা

নভেম্বর ১৪, ২০১৯ | ২:০৪ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রাজধানীর শ্যামবাজারের আড়তে মাত্রাতিরিক্ত দামে পেঁয়াজ বিক্রি করা এবং পেঁয়াজের মূল্য তালিকা না টাঙানোয় তিন দোকানকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছে আন্তঃমন্ত্রণালয় অভিযানিক দল। অভিযানের সময় দোকানগুলোতে পেঁয়াজের বিপুল মজুত থাকলেও পেঁয়াজ কেনার কোনো চালান দেখাতে পারেনি দোকানগুলো।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে শ্যামবাজারের আড়তে এ অভিযান শুরু হয়। বাণিজ্য, কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর এবং সিটি করপোরেশনের সমন্বয়ে গঠিক এই অভিযানিক দলটিতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মণ্ডল। অভিযানে বিভিন্ন দোকানে পেঁয়াজের বিপুল মজুত দেখা গেছে।

অভিযানে মেসার্স বাণিজ্যালয়, নিট বাণিজ্যালয়, সিকদার অ্যান্ড সন্স ও রফিক ট্রেডার্স নামে চারটি দোকানে অভিযান চালানো হয়। এর মধ্যে রফিক ট্রেডার্স পাইকারি ১২০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করলেও পাশের বাকি দোকানগুলো পেঁয়াজ বিক্রি করছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে। পরে রফিক ট্রেডার্স ছাড়া বাকি তিন দোকানকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল জব্বার মণ্ডল সারাবাংলাকে বলেন, পেঁয়াজ মজুত করে বেশ কয়েকদিন ধরেই বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে— এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আজকের অভিযানটি পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানের শুরুতে নিট বাণিজ্যালয়ে আমরা পেঁয়াজের মজুত পেয়েছি। কিন্তু তারা এর কোনো চালান দেখাতে পারেনি। তারা ১৭০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছে। মেসার্স বাণিজ্যালয় পেঁয়াজ বিক্রি করছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা দরে। তারাও পেঁয়াজ কেনার চালান দেখাতে পারেনি। একই অভিযোগ রয়েছে সিকদার অ্যান্ড সন্সের বিরুদ্ধেও।

জব্বার মণ্ডল জানান, দোকানগুলোতে বিভিন্ন পণ্যের মূল্য টাঙানো থাকলেও তাতে পেঁয়াজের দাম উল্লেখ নেই। এসব অসঙ্গতির কারণেই দোকানগুলোকে জরিমানা করা হয়েছে।

পেঁয়াজ মজুতের অভিযোগ থাকলেও নিট বাণিজ্যালয়ের ব্যবস্থাপক মামুন সারাবাংলাকে বলেন, আমরা প্রতিদিনের পেঁয়াজ প্রতিদিন বিক্রি করি। চট্টগ্রাম থেকে পেঁয়াজ আসে আমাদের। সেখানে দাম বাড়লে আমাদেরও বাড়তি দামে পেঁয়াজ কিনতে হয়।

আড়তে কর্মরত শ্রমিকরা জানান, পেঁয়াজের সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে পেঁয়াজের গাড়ি আসতে না আসতেই যশোর-বরিশাল-খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পেঁয়াজের গাড়ি চলে যাচ্ছে। ফলে আড়তে পেঁয়াজের সংকট থাকছে। এর মধ্যে কেউ কেউ মজুত করায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/ইউজে/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন