বৃহস্পতিবার ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৪ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

ষষ্ঠ রাউন্ডের প্রথম দিনেই তিন সেঞ্চুরি

নভেম্বর ১৬, ২০১৯ | ৫:২৬ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

জাতীয় ক্রিকেট লিগের ষষ্ঠ রাউন্ডের প্রথম দিনেই এল তিন তিনটি সেঞ্চুরি। ঢাকা মহানগরীর বিপক্ষে বরিশাল বিভাগের হয়ে ১৪১ রানের ইনিংস খেলেছেন ফজলে মাহমুদ। রাজশাহী বিভাগের বিপক্ষে ১০৫ রান করেছেন রংপুরের সোহারাওয়ার্দী শুভ। আর খুলনা বিভাগের বিপক্ষে ১১০ হাঁকিয়েছেন ঢাকা বিভাগের মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান তাইবুর রহমান।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (১৬ নভেম্বর) শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে তাইবুর রহমানের ১১০, আব্দুল মজিদের ৬৬ ও শুভাগত হোমের ৫৬ রানে ভর করে প্রথম দিনে ৭ উইকেটে ২৩৭ রান সংগ্রহ করে ঢাকা বিভাগ। খুলনা বিভাগের হয়ে বল হাতে আব্দুল হালিম ৫টি ও জিয়াউর রহমান নেন ২টি করে উইকেট।

রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে দিনের অপর ম্যাচে সোহরাওয়ার্দী শুভর ১০৫, আরিফুল হকের ৫৭ ও নাইম ইসলামের ৪০ রানের সুবাদে ৮ উইকেটে ২৬৩ রানের সংগ্রহ পায় রংপুর বিভাগ।

রাজশাহী বিভাগের হয়ে উইকেট শিকারে দাপট দেখিয়েছেন দেলোয়ার হোসেন। ১৯.৩ ওভার বল করে এই মিডিয়াম পেসার তুলে নিয়েছেন ৪ উইকেট। মোহর শেখ শিকার করেছেন ৩ উইকেট।

বিজ্ঞাপন

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকা মহানগরীর বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা বরিশাল বিভাগ ফজলে মাহমুদের ১৪১, সালমান হোসেনের অপরাজিত ৬৯ ও শাহরিয়ার নাফিসের ৪৪ রানে ভর করে দিন শেষে ৬ উইকেটে ৩৩৮ রানের বড় সংগ্রহ গড়েছে। ঢাকা মহানগরীর হয়ে তাসকিন আহমেদ, আসিফ হাসান ২টি করে এবং আরাফাত সানি ও আল-আমিন ১টি করে উইকেট নিয়েছেন।

এদিকে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে দিনের অপর ম্যাচে সিলেট বিভাগের পেসার রুহেল মিয়ার ৮ উইকেটের রেকর্ড বোলিংয়ে ধরাসায়ী হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ। গুটিয়ে গেছে মাত্র ১০৬ রানেই।

মাত্র ২৬ রানে ৮ উইকেট নিয়েছেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে মাত্র তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নামা রুহেল। ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে যেকোনো পেসারেরই এটি সেরা বোলিং ফিগার। রুহেল ভেঙেছেন সাত বছর আগে গড়া তালহা জুবায়েরের রেকর্ড। ২০১২ সালে রংপুরের বিপক্ষে ঢাকা মেট্রোর পেসার তালহা ৩৫ রানে নিয়েছিলেন ৮ উইকেট।

রুহেলের পেস তোপের ম্যাচে চট্টগ্রামের কোন ব্যাটসম্যানই ব্যক্তিগত ২৫ রানের কোটাও স্পর্শ করতে পারেননি। সর্বোচ্চ ২১ রান এসেছে তাসামুল হক ও ইরফান শুক্কুরের ব্যাট থেকে। সিলেটের হয়ে অপর ২ উইকেটের একটি ইমরান আলী ও একটি নিয়েছেন রেজাউর রহমান।

প্রথম ইনিংসে সিলেটের ১০৭ রানের জবা্বে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৮৬ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়েছে সিলেট বিভাগ। ব্যাট হাতে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেছেন অমিত হাসান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪১ রান এসেছে অধিনায়ক অলক কাপালির ব্যাট থেকে।চট্টগ্রামের হয়ে বল হাতে ইরফান হোসেন ৪টি ও সাজ্জাদুল হক ১টি উইকেট নিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এমআরএফ/এসএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন