শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ৮ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

জি এম কাদের সম্পর্কে অনেক তথ্য আছে, ফাঁস করে দেবো: বিদিশা

নভেম্বর ১৬, ২০১৯ | ১০:৩৫ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রাজধানীর বারিধারায় প্রেসিডেন্ট পার্কে ছেলে এরিক এরশাদকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। তাকে ওই বাসায় অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল- জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলেছেন এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা। এরিক ইস্যুতে জি এম কাদেরের ওপর খেপেছেন বিদিশা। প্রয়োজন হলে কাদেরের অনেক গোপন তথ্য ফাঁস করে দেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (১৬ নভেম্বর) সারাবাংলার সঙ্গে আলাপকালে বিদিশা বলেন, ‘জি এম কাদের সম্পর্কে আমার কাছে অনেক তথ্য আছে। আমি যে সব তথ্য জানি তা প্রয়োজনে ফাঁস করে দেবো। আর গোপন তথ্যগুলো ফাঁস করে দিলে জি এম কাদেরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার বরবাদ হয়ে যাবে।’

তবে জি এম কাদের সম্পর্কে তার কাছে কী তথ্য আছে, সে বিষয়ে কিছু বলেননি বিদিশা। বলেছেন, প্রয়োজন হলে ফাঁস করব।

বিদিশা সারাবাংলাকে জানান, প্রেসিডেন্ট পার্কে তার ছেলে এরিক এরশাদকে নির্যাতন করা হয়েছে। তাকে ঠিকমতো যত্ন করা হয়নি, তিন বেলা খাবার খেতে দেওয়া হয়নি। মশা-মাছির মধ্যে থাকতে হয়েছে। ছেলের কাছ থেকে মোবাইল ফোনে কল পেয়ে প্রেসিডেন্ট পার্কে ছুটে যান বিদিশা। শুক্রবার থেকে প্রেসিডেন্ট পার্কে ছেলের সঙ্গে অবস্থান করছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

এ প্রসঙ্গে সারাবাংলাকে বিদিশা বলেন, ‘আমি অনেক কষ্ট করে আমার ছেলেকে পেয়েছি। ছেলেকে আমার কাছে পেতে অনেক যুদ্ধ করতে হয়েছে। এখন প্রেসিডেন্ট পার্কে রয়েছি। ধরতে গেলে অবরুদ্ধ হয়ে আছি। আমার সঙ্গে অন্য কাউকে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ বাধা দিচ্ছে, এখানকার লোকেরা বাধা দিচ্ছে।’

বিদিশা বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট পার্কে যে সব কর্মচারী ছিল আগেই তাদের ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। জি এম কাদের আমার ছেলেকে নিয়ে রাজনীতি শুরু করেছেন। আমি এটি সহ্য করব না।’

বিদিশা বলেন, ‘গণমাধ্যমকর্মীরা ভেতরে ঢুকতে চাইলে তাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। আমি জি এম কাদেরকে একাধিকবার কল দিয়েছি তিনি আমার ফোন ধরছেন না।’

বিদিশার অভিযোগ, জি এম কাদেরের লোকজন এরিকের কাছ থেকে অনেক কাগজপত্রে সই নিয়ে গেছে। এছাড়া প্রেসিডেন্ট পার্ক থেকে অনেক মূল্যবান কাগজপত্র কাদেরের লোকজন সরিয়ে নিয়ে গেছে।’

বিদিশার অভিযোগের বিষয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরকে সারাবাংলার পক্ষ থেকে একাধিকবার কল করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এএইচএইচ/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন