বৃহস্পতিবার ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৪ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

এফ আর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতি: ফারুকসহ ৩ আসামি কারাগারে

নভেম্বর ১৭, ২০১৯ | ১:৪৫ অপরাহ্ণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রাজধানীর বনানীর ফারুক-রূপায়ণ (এফআর) টাওয়ারের নকশা জালিয়াতির মামলায় জমির মালিক সৈয়দ মো. হোসাইন ইমাম ফারুকসহ তিন আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

রোববার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদাতে আসামিরা আত্মসমর্পণের পর জামিনের আবেদন। আদালত শুনানি শেষে তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া অপর দুই আসামি হলেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক ইমারত পরিদর্শক মো. আওরঙ্গজেব সিদ্দিকী (নান্নু) ও সাবেক উপ-পরিচালক (এস্টেট) মুহাম্মদ সওগত আলী।

এর আগে মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ আসামিদের এক সপ্তাহের মধ্যে নিম্ম আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, এ ভবনের জমির মালিক প্রকৌশলী এস এম এইচ আই ফারুক, টাওয়ারের বর্ধিত অংশের মালিক তাসভিরুল ইসলাম, রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান ওরফে মুকুল এবং এফ আর টাওয়ার বিল্ডিং ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা আর্থিক সুবিধার লোভে নির্মাণ বিধিমালা না মেনে ভবন নির্মাণ করেন। এর ফলে এফ আর টাওয়ারে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

১৯৯৬ সালের এফ আর টাওয়ারের নকশা অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদিত নকশা ভবনের উচ্চতা ১৮ তলা, যদিও নির্মাণ করা হয়েছে ২৩ তলা। পরে ২০০৫ সালে এফ আর টাওয়ারের মালিকপক্ষ রাজউকের কাছে আরেকটি নকশা জমা দেয়। ১৯৯৬ সালে মূল যে নকশা রাজউক অনুমোদন দিয়েছিল তার তার সঙ্গে নির্মিত ভবনটির অনেক বিচ্যুতি রয়েছে।

এফ আর টাওয়ারে আগুন লাগার ঘটনায় বনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মিল্টন দত্ত বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৪৩৬/৩০৪(ক)/৪২৭/১০৯ ধারায় মামলা করেন। এজাহারে এস এম এইচ আই ফারুক, রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান ও তাসভীরুল ইসলামকে আসামি করা হয়।

গত ২৮ মার্চ দুপুরে বনানীর ওই ভবনের অষ্টম তলায় আগুন লাগে। দীর্ঘ ৬ ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। আগুনে ২৬ জনের মৃত্যু হয়।

বনানীর এফআর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের পর গত ২৫ জুন নকশা জালিয়াতির অভিযোগে ২৫ জনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন। ওই মামলায় নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে এই তিন আসামি জামিন নেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এআই/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন