শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ৮ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

ডেডলাইন ডিসেম্বর থেকে সরে এলো পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র

নভেম্বর ১৮, ২০১৯ | ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: দিনক্ষণ ঠিক করেও ডিসেম্বরে উৎপাদনে যেতে পারছেনা পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। ফলে জাতীয় গ্রিডে এই মুহূর্তে যোগ হচ্ছেনা ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঞ্চালন লাইনের কাজ শেষ না হওয়ায় উৎপাদনের তারিখ নির্ধারণ করেও তা আর সম্ভব হচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন

দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে ২০১৬ সালে ২ বিলিয়ন ডলার খরচে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া এলাকায় কয়লাভিত্তিক এই বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেয় সরকার। ১ হাজার একরেরও বেশি জমিতে বাংলাদেশ ও চীনের দুটি প্রতিষ্ঠান নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি এবং ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশন ( সিএমসি) যৌথভাবে এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে।

পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক শাহ মো. গোলাম মাওলা সারাবাংলাকে জানান, দুটি ইউনিটে ভাগ করে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করা হচ্ছে। তাদের লক্ষ্য ছিলো প্রথম ইউনিট থেকে আসছে ডিসেম্বরে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা। সে লক্ষ্যে প্রকল্পের ইউনিট-১ ও ইউনিট-২ এর টারবাইন জেনারেটর বসানো হয়েছে। প্রকল্পের মালামাল লোড-আনলোডের জন্য জেটির কাজও শেষ পর্যায়ে। এছাড়া প্লান্টের গুরুত্বপূর্ণ ওয়াটার ইন্টেক, কোল ডোম, কুলিং টাওয়ার, পানি পরিশোধন ও প্লান্ট কনভেয়ার বেল্ট স্থাপনের কাজ শেষ পর্যায়ে নিয়ে এলেও উৎপাদনের মেইন লাইন এখনো ঠিক করা যায়নি। যে গতিতে এখন কাজ চলছে এবং যা বাকি রয়েছে, তা শেষ করে ডিসেম্বরে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব হচ্ছেনা।

তিনি আরো জানান, এই কেন্দ্রের ইউনিট-১ থেকে উৎপাদিত ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে গোপালগঞ্জের সাবস্টেশনে। সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পটি চলতি বছরেই শেষ হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণকে কেন্দ্র করে শ্রমিক অসন্তোষে প্রায় ছয় মাস কাজ পিছিয়ে যায়। ডিসেম্বরে উৎপাদনে যাওয়ার দিনক্ষণ ঠিক করলেও এবার তা হচ্ছেনা। ফলে আরো পিছিয়ে গেল পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন প্রক্রিয়া। পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পুরোপুরি চালু হলে এখান থেকে পাওয়া যাবে মোট ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/জেআর/জেএএম

Advertisement
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন