শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ৮ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

সন্ধ্যায় জাতীয় নাট্যশালায় আরণ্যকের ময়ূর সিংহাসন

নভেম্বর ১৮, ২০১৯ | ১০:১৬ পূর্বাহ্ণ

এন্টারটেইনমেন্ট করেসপন্ডেন্ট

আমাদের সমাজে একটি প্রচলিত ধারণা আছে যে, ক্ষমতার নিকটবর্তী মানুষেরাই দেশপ্রেমিক হয়। কিন্তু দল, ক্ষমতা এসবের বাইরে যে বিশাল জনগোষ্ঠী তাদের মধ্যে কোথায় কিভাবে দেশপ্রেমের অগ্নিশিখা প্রজ্জ্বলিত রয়েছে তা দেখার অভ্যাস আমাদের গড়ে ওঠেনি বললেই চলে।

বিজ্ঞাপন

অথচ কত নিভৃত পল্লীতে দেশপ্রেমকে বুকে বেঁধে কত বীর নীরবে শাসকের হাতে নিগৃহীত হয়েছে বা হচ্ছে, তার হিসেব আমরা ক'জন রাখি?

আমাদের এ ভূখণ্ডে বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশকটি নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়টাতেই ওঠে গণতন্ত্রের দাবি, ধর্ম নিরপেক্ষতার চেতনা। আবার সেই সময়ের সামরিক শাসকগোষ্ঠী ছড়িয়েছিল সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্পও। সেই ভয়ানক আগুনে আজও জ্বলছে মানুষ- তার শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি। যার দায় আমাদের আজও বহন করতে হচ্ছে।

এমনই কিছু ঘটনা প্রবাহ নিয়ে আরণ্যক নাট্য দলের মঞ্চনাটক 'ময়ূর সিংহাসন'। আরণ্যক'র ৩২তম প্রযোজনা এই নাটকটি রচনা করেছেন মান্নান হীরা এবং নির্দেশনা দিয়েছেন শাহ আলম দুলাল।

বিজ্ঞাপন

নাটকটির স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মান্নান হীরা লিখেছেন, ‘মফস্বল শহরে আমার শৈশব ও বাল্যকাল কেটেছে। ভীষণ রকম নিমজ্জিত ছিলাম সে সময়ের নাট্যকর্মের সাথে। ঐ বয়সে যতটুকু থাকা যায় আর কি। বয়সে দেখা দেবতাতুল্য নাট্যাভিনেতাদের জীবন, কর্ম, বিশ্বাস, ত্যাগ তিতীক্ষা আজও অন্তরে জ্বলছে। তারই আলোকে লেখা এই নাটকটি। দেখেছি সংসার-বন্ধন ছিন্ন করা অভিনেতাদের, গৃহহীন অভিনেত্রীদের- সমাজ প্রত্যাখাত কুশীলবদের। সবাই মিলে মঞ্চের পাদপ্রদীপে যখন উচ্চারণ করত দেশপ্রেমের বাণী তখন তার ঢেউ গিয়ে লাগতো পথে প্রান্তরের গণতন্ত্র আর স্বায়ত্বশাসনের রাজনীতিতে। অথচ সেই আলো জ্বালা মানুষদের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনে অনেকের অলক্ষ্যে ঘটে যেত বড় বড় ট্র্যাজেডি। তার ইতিহাস আমরা রচনা করতে পারিনি। সেই সব দেশপ্রেমিক মানুষের কথা স্মরণে নির্মিত এ নাটক।’

'ময়ূর সিংহাসন' সোমবার (১৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে মঞ্চায়িত হবে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এএসজি/এসএমএন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন