বুধবার ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৩ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

পলাতক ৪ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

নভেম্বর ১৮, ২০১৯ | ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ

স্টাফ করেসেপন্ডেন্ট

ঢাকা: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পলাতক চার আসামি বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

সোমবাব (১৮ নভেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কায়সারুল ইসলাম অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে গ্রেফতার সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত।

অভিযোগপত্রে নাম থাকা যে আসামিরা পলাতক তারা হলেন, মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম, মোর্শেদ অমর্ত্য ইসলাম ও মোস্তবা রাফিদ।

এর আগে গত ১৩ নভেম্বর আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রটি আদালতে জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক ওয়াহেদুজ্জামান।

বিজ্ঞাপন

অভিযোগপত্র অনুযায়ী আসামিরা হলেন, মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রবিন, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত ও এস এম মাহমুদ সেতু।

তবে, নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সোমবার আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়নি।

অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে মামলার এজাহারে নাম ছিল ১৯ জনের। এদের মধ্যে গ্রেফতার আছেন ১৬ জন। পরে তদন্তে আরও ৬ জনের নাম যুক্ত হয়। এদের মধ্যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে গ্রেফতার আটজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ৭ অক্টোবর ভোরে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের সিঁড়ি থেকে আবরার ফাহাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তী সময়ে জানা যায়, শিবির সন্দেহে তাকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ পরিপ্রেক্ষিতে আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ চকবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এআই/এসএমএন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন