শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ৮ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

জয় পেয়েছে রংপুর; ড্র ঢাকা মেট্রো-বরিশাল ম্যাচ

নভেম্বর ১৯, ২০১৯ | ৪:১৩ অপরাহ্ণ

স্পোর্টস ডেস্ক

জাতীয় ক্রিকেট লিগের ষষ্ঠ এবং ফাইনাল রাউণ্ডে গেল বারের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী বিভাগকে ১৫৫ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে রংপুর বিভাগ। আর এতেই টায়ার-১ থেকে রেলিগেটেড হয়ে টায়ার-২ এ নেমে গেল রাজশাহী। অন্যদিকে ঢাকা মহানগর এবং বরিশাল বিভাগের মধ্যকার ম্যাচটি ড্র হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ষষ্ঠ রাউণ্ডে রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় রংপুর এবং রাজশাহী বিভাগ। টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন রাজশাহীর অধিনায়ক ফরহাদ হোসেন। ব্যাট করতে নেমে সোহরাওয়ার্দি শুভর ১০৫ রান এবং আরিফুল হকের ৫৭ রানে ভর করে ২৭৪ রান তোলে রংপুর। জবাবে ব্যাট করতে নেমে অভিষেক মিত্রর ৬৭ এবং ফরহাদ হোসেনের ৭৫ রানে ২৫৪ রানে অল আউট হয় রাজশাহী। রংপুরের হয়ে ৬ উইকেট তুলে নেন আরিফুল।

দ্বিতীয় ইনিংসে ২০ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে তানবির হায়দারের ৭২ এবং আরিফুল হকের ৪৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ২২৮ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে রংপুর বিভাগ। আর রাজশাহীর সামনে জয়ের লক্ষ্যে দাঁড়ায় ২৪৯। জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে আরিফুল হক এবং আলাউদ্দিন বাবুর বোলিং তোপের মুখে পড়ে রাজশাহীর ব্যাটসম্যানরা। রাজশাহীর হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেন জুনাইয়েদ সিদ্দীকি। তবে বাকি সব ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় রাজশাহীর ইনিংস শেষ হয় মাত্র ৯৩ রানে। আর এতেই রংপুর জয় পায় ১৫৫ রানের বিশাল ব্যবধানে। রংপুরের হয়ে ৩টি করে উইকেট তুলে নেন আলাউদ্দিন বাবু এবং আরিফুল হক।

অন্যদিকে ঢাকা মহানগর এবং বরিশাল বিভাগের মধ্যকার ম্যাচটি ড্র হয়েছে। বরিশাল বিভাগীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বরিশালের অধিনায়ক কামরুল ইসলাম রাব্বি। ব্যাট করতে নেমে ফজলে মাহমুদের ১৪১ রানের ইনিংসে ভর করে ৪১৪ রান তুলে অল আউট হয় বরিশাল। ঢাকা মহানগরের হয়ে চারটি উইকেট তুলে নেন তাসকিন আহমেদ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শামসুর রহমান ও মার্শাল আইয়ুবের জোড়া শতক এবং আল-আমিনের ৯২ রানে ভর করে ৪৬৬ রান তুলে অল আউট হয় ঢাকা মহানগর। বরিশালের হয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন সোহাগ গাজী।

বিজ্ঞাপন

দ্বিতীয় ইনিংসে ৪২ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে ২৬৯ রানে অল আউট হয় বরিশাল। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮০ রান করেন নাইম খান আর ফজলে মাহমুদ করেন ৭৫। ঢাকার হয়ে সর্বোচ্চ ৫ উইকেট তুলে নেন আরাফাত সানি।

ফলে ঢাকার সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২১৮ রানের। জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১ উইকেটে ১৯ রান তোলার পর চতুর্থ দিনের খেলা শেষ হয়। আর তাতেই ম্যাচটি ড্র ঘোষণা করা হয়। ম্যাচ সেরা হন বরিশালের ফযলে মাহমুদ।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএস/এনএ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন