শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ৮ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

আদ-দ্বীন হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

নভেম্বর ২০, ২০১৯ | ৪:৩০ পূর্বাহ্ণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রাজধানীর মগবাজারে ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে আদ-দ্বীন হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে মৃত্যু হয় তাদের। মৃতের নাম আসমা বেগম (৩০)।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে হাসপাতাল থেকে নবজাতক ও তার আসমার মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

মৃত আসমার মামাতো ভাই মেহেদী হাসান অভিযোগ করে বলেন, ‘সাতদিন আগে জানা যায় আসমার পেটের ভেতরে বাচ্চার অবস্থা খারাপ। এমন অবস্থায় ঢাকায় নিতে পরামর্শ দেন বরিশালের স্থানীয় এক চিকিৎসক। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আসমাকে ১৭ নভেম্বর দুপুরে মগবাজার আদ-দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’

মেহেদী আরও জানায়, হাসপাতাল থেকে জানানো হয় পেটে বাচ্চার অবস্থা খারাপ। সিজারিয়ান অপারেশন করতে হবে। চিকিৎসকরা তাদের জানায়, আগে দেখবে নরমালে বাচ্চা হয় কি না? প্রয়োজন হলে পরে সিজারিয়ান অপারেশন করবে। আসমার অবস্থা খারাপ হলে সোমবার রাতে তাকে ওয়ার্ডে নেওয়া হয়। সেখানে আসমা মৃত বাচ্চা প্রসব করলেও আসমাকে বাঁচাতে পারেনি। তাদের অভিযোগ আগে থেকে যদি সিজারিয়ান অপারেশন করত তাহলে আসমা মারা যেত না।

বিজ্ঞাপন

মেহেদী বলেন, ‘আমরা এর বিচার চাই। রমনা থানায় অভিযোগ দিয়েছি।’

তাদের বাড়ি বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে। স্বামী আরিফ হোসেন গ্রামে ব্যবসা করেন। আসমার ঘরে তিন মেয়ে রয়েছে। তিন মেয়ের পরে কয়েকবার অ্যাবরশন হয়েছে। এরপর নতুন সন্তান পেটে আসে।

রমনা থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) দুলাল চন্দ্র কুন্ড বলেন, জানতে পেরেছি সন্তান প্রসবের সময় আসমা ও তার নবজাতক মেয়ের মৃত্যু হয়। পরিবারের অভিযোগ পেয়ে ভোরে হাসপাতাল থেকে নবজাতক ও তার মায়ের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

এ বিষয়ে আদ-দ্বীন হাসপাতালের অ্যাডমিন ম্যানেজার তারেকুল ইসলাম মুকুল জানান, হাসপাতালের চিকিৎসকরা কোনো গাফিলতি করেননি। হাসপাতালে পেটে বাচ্চাকে মৃত অবস্থায় তার মাকে ভর্তি করায়। চিকিৎকসরা তার মৃত বাচ্চা বের করার সময় তার মায়েরও মৃত্যু হয়। এখানে কোনো গাফিলতি হয়নি।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএসআর/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন