সোমবার ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১১ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

মহারাষ্ট্রে শিবসেনার নেতৃত্ব মানতে রাজি কংগ্রেস-এনসিপি

নভেম্বর ২১, ২০১৯ | ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আদর্শগত মিল থাকা সত্ত্বেও মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে মতের মিল না হওয়ায় মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও বিজেপি জোট হয়নি। সেই সুযোগটাই নিতে চলেছে কংগ্রেস ও ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি)। কংগ্রেসনেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও এনসিপির নেতা শারদ পাওয়ার একমত হয়েছেন তারা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পদটি শিবসেনার জন্য ছেড়ে দেবেন। শুক্রবার (২২ নভেম্বর) এ নিয়ে মুম্বাইতে হবে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা। ধারণা করা হচ্ছে তখনই সরকার গঠনের ঘোষণা আসবে। খবর হিন্দুস্থান টাইমসের।

বিজ্ঞাপন

কংগ্রেস জোট গড়ার জন্য শিবসেনাকে কখনোই যথার্থ মনে করেনি। তবে সোনিয়া গান্ধী নিজের সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। কে.সি. ভেনুগোপাল, অধীর রঞ্জন চৌধুরী, আম্বিকা সোনি, আহমেদ প্যাটেল, এ. কে. অ্যান্টনিসহ দলটির সিনিয়র নেতারা এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার আলোচনায় বসেছেন।

এদিকে এনসিপির এক নেতা জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর ৫ বছরের মেয়াদ তারা শিবসেনার সঙ্গে ভাগাভাগি করতে চান। কারণ দুই দলের আসন পার্থক্য মাত্র দুই।

তবে শারদ পাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শিবসেনা নেতা উদয় ঠাকুরের নাম প্রস্তাব করলে পূর্ণ মেয়াদে দলটির মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতা পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এছাড়া উপমুখ্যমন্ত্রী পদে কংগ্রেস ও এনসিপির একজন করে দায়িত্ব পেতে পারেন।

বিজ্ঞাপন

কংগ্রেস ও এনসিপির সঙ্গে জোট বিষয়ে শিবসেনাদের পক্ষ থেকে এখনো স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যায়নি। তবে আদর্শগত কারণে শিবসেনাদের একটি অংশ এই জোটে নাখোশ বলে গণমাধ্যমে খবর আসছে।

প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ১০৫টি , শিবসেনা ৫৬টি, এনসিপি ৫৪টি, কংগ্রেস ৪৪টি আসন জিতে। তবে ২৮৮ সদস্যের বিধানসভায় কোনো দলই সরকার গঠন করতে প্রয়োজনীয় ১৪৫টি আসন না পাওয়ায় তৈরি হয় জটিলতা। তাই গভর্নরের অনুরোধে রাজ্যটিতে বর্তমানে রাষ্ট্রপতির শাসন জারি রয়েছে। দলগুলো সরকার গঠনে সক্ষম হলে ছয় মাসের আগেই এই অবস্থা তুলে নেওয়া যাবে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এনএইচ/পিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন