বিজ্ঞাপন

যুবলীগে শেখ পরশের রানিংমেট কে, মহি না বেলাল?

November 22, 2019 | 6:52 pm

নৃপেন রায়, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ভাবমূর্তির সংকট কাটিয়ে উঠতে যুবলীগের সপ্তম জাতীয় কংগ্রেসে শীর্ষ পদে যুগোপযোগী গ্রহণযোগ্য ‘স্মার্ট’ ও ‘নির্ভীক’ নেতৃত্ব আসছে। যুবলীগের আসন্ন কংগ্রেসে চেয়ারম্যান হিসেবে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির ছেলে শেখ ফজলে শামস (পরশ) নেতৃত্ব আসছেন, এটি নিশ্চিত। তবে পরশের রানিংমেট তথা ‘সাধারণ সম্পাদক’ হিসেবে বর্তমান কমিটির দুইজন নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। এরা হলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য বেলাল হোসাইন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ (মহি)। এমনটিই নিশ্চিত করেছেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা।

বিজ্ঞাপন

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যুবলীগের শীর্ষ দুই পদের নেতৃত্ব সমন্বয়ে কেবল ভাবমূর্তিতে স্বচ্ছ নয়, রাজপথের নির্ভীক ও সাহসী নেতৃত্বের বিষয়টিও মাথায় রেখে নেতৃত্ব উপহার দেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। কেন্দ্রীয় কমিটিতে একঝাঁক সাবেক ছাত্রলীগ নেতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গ্রহণযোগ্য যুবকদের নেতৃত্ব থাকবে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটিতে। সেই ছকেই শনিবার (২৩ নভেম্বর) ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অন্যতম সহযোগী সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নেতৃত্ব উপহার পেতে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা নেতারা বলছেন, যুবলীগ একটি মাল্টিক্লাস সংগঠন। এখানে কেবল ছাত্রলীগের সাবেক প্রতিশ্রুতিশীল নেতারাই শুধু নয়, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিশ্রুতিশীল যুবকদের সম্মিলন ঘটে। টানা তিন মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। যে কারণে ক্ষমতাসীন সংগঠনের সহযোগী সংগঠন হিসাবে যুবলীগের সাংগঠনিক পরিচয়ে কেউ কেউ অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে। এর দায় তো সংগঠনের না, এর দায় নেতৃত্বের। তাই আগামী দিনে সংগঠনের ভাবমূর্তির সংকট কাটিয়ে উঠতে যুবলীগের মতো সৃষ্টিশীল নির্ভীক নেতৃত্বই উপহার দেবেন যুবলীগের সাংগঠনিক অভিভাবক আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

যুবলীগে শেখ পরশের রানিংমেট কে, মহি না বেলাল?

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আসন্ন কংগ্রেসে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ মনির ছেলে পরশ চেয়ারম্যান হিসেবে নেতৃত্ব পাচ্ছেন, এটা নিশ্চিত। পরশ বর্তমান কমিটির নেতা নয়। তাই তিনি এতদিন শিক্ষকতা পেশা নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। এর আগে তাকে যুবলীগের কোনো অনুষ্ঠানে সরব উপস্থিত দেখা যায়নি। কিন্তু আজ (শুক্রবার) সকালে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মেলন প্রস্তুতি ও মঞ্চ পরিদর্শনে আসার আগে তিনি তার সংসদ ভবনের বাসা থেকে পরশের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন এবং সোহরাওয়াদী উদ্যানে আসার আহ্বান জানান। এ সময় শুক্রবার (২২ নভেম্বর) সকাল আটটার দিকে ওবায়দুল কাদেরের সংসদের বাসার যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির কয়েকজন ও মহানগর যুবলীগের কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। তারা সারাবাংলাকে পরশকে ফোন করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ কারণে শুক্রবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কংগ্রেসের প্রস্তুতি ও মঞ্চ পরিদর্শনের সময় শেখ মনির ছেলে পরশ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে যুবলীগের কংগ্রেস প্রস্তুতি ও মঞ্চ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন,‘যদি যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ শেখ ফজলুল হক মণির রক্তের উত্তরাধিকার কাউকে এখানে চায় পরবর্তী নেতা হিসেবে, সেটি অবশ্যই যুবলীগের অধিকার আছে।’

কাদের আরও বলেন, ‘যুবলীগের নেতৃত্ব বাছাই কাউন্সিলররা ঠিক করবে। তাদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা হবে। তাদের সম্মতিতে পরবর্তী নেতৃত্ব আসবে। এখানে অবশ্যই আমাদের অভিভাবক সভাপতি শেখ হাসিনার মূল্যবান পরামর্শ আমরা নেব। এখানে কে নেতা হবে এ মুহূর্তে বলতে পারছি না। কাউন্সিল সেশনে চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদকের নাম আসবে। অধিক প্রার্থী থাকলে তাদের একজন হওয়ার জন্য সময় দেব। সেই সময়সীমার মধ্যে কম্প্রোমাইজ না হলে উপস্থিত নেতা ও সর্বোপরি আমাদের নেত্রীর সঙ্গে আলাপ করে নতুন কমিটির চেয়ারম্যান-সম্পাদকের নাম ঘোষণা করব।

বিজ্ঞাপন

যুবলীগে শেখ পরশের রানিংমেট কে, মহি না বেলাল?

এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, যুবলীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক চয়ন ইসলাম, যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ মহিসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক সারাবাংলাকে বলেন, ‘আমি যুবলীগের চেয়ারম্যান ছিলাম। আমি নিজেও সাত বছর পরে কংগ্রেস করার সুযোগ পেয়েছি। তবে এত দীর্ঘদিন পর কংগ্রেস হলে তরুণদের জন্য সুযোগ কমে যায়। আবার বর্তমান পরিস্থিতিতে সংগঠনের জন্য একটি গতিশীল, সৎ ও নির্ভীক নেতৃত্ব প্রয়োজন। এসব বিষয় বিবেচনা করেই যুবলীগের নেতৃত্বের বয়স ৫৫ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করি, এই বয়সসীমার মধ্যেই ত্বরিৎকর্মা নেতৃত্ব খুঁজে পাবে যুবলীগ এবং সেই নেতৃত্বই আগামী দিনে সংগঠনকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নেবে।’

বিজ্ঞাপন

যুবলীগের নেতৃত্বে বর্তমান কমিটির নেতারা প্রাধান্য পাবেন নাকি বাইরে থাকা নেতারা নতুন করে দায়িত্ব পাবেন এমন প্রশ্নের জবাবে যুবলীগের সাবেক এই চেয়ারম্যান বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছে আমাদের সবার অভিভাবক আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ওপর। যুবলীগে কোন পর্যায়ে কাকে নেতৃত্বে আনলে সাফল্য আসবে, সেটি তিনিই সবচেয়ে ভালো বুঝবেন। আর তাই নতুন নেতৃত্ব সম্পর্কে জানতে ২৩ নভেম্বর পর্যন্তই অপেক্ষা করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ছাত্রলীগের সাবেক একঝাঁক নেতৃত্ব রয়েছে, যাদের রাজনীতিতে স্থান বা পদ-পদবি দেওয়া যায়নি। তারা যুবলীগে আসবেন। এই যুবলীগে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আইনজীবী, ব্যারিস্টার, প্রকৌশলী এ ধরনের যুবকসহ সব শ্রেণিপেশার মানুষের নেতৃত্ব যুবলীগে রেখেছিলাম। সেই ধরনেরই একটি চিন্তাভাবনা আছে।’

সম্প্রতি চলমান শুদ্ধি অভিযানে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জেরে সবচেয়ে বেশি যুবলীগ নেতাদের নাম আলোচনায় উঠে আসে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে স্বাধীনতার সংগঠক শেখ ফজলুল হক মনির হাতে গড়া সংগঠনটির সপ্তম কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ২৩ নভেম্বর। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পদ্মাসেতুর আদলে তৈরি মঞ্চ থেকে সকাল ১১টায় প্রধান অতিথি হিসেবে কংগ্রেসের উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিজ্ঞাপন

আওয়ামী লীগের রাজপথের ভ্যানগার্ড বলে পরিচিত সংগঠনটি ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে দুয়েকটি ব্যতিক্রম বাদে প্রায় প্রতিটি কংগ্রেসে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব পেয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের বাইরে থাকার সময় রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে জোরালো ভূমিকা ছিল সংগঠনের নেতাকর্মীদের। তবে বর্তমান কংগ্রেসের এবারের চিত্র ছিল একটু ভিন্ন। ক্ষমতাসীন সরকারের সহযোগী সংগঠন হিসাবে সংগঠনের অনেকে বিতর্কিত ক্যাসিনো থেকে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। এতে ইমেজ সংকটে পড়েছে সংগঠনটি। সংগঠনের ঢাকা মহানগর কমিটি থেকে শুরু করে শীর্ষ নেতৃত্ব অনেকের বিরুদ্ধে ক্লাব পরিচালনার আড়ালে অবৈধ জুয়া ব্যবসার অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগে সংগঠনের প্রভাবশালী নেতাদের কেউ কেউ গ্রেফতার হয়েছেন। কেউ কেউ টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজির অভিযোগে বহিষ্কারও হয়েছেন। আবার অনেকে এখনও রয়েছেন গ্রেফতার আতঙ্কে।

গণভবনে যুবলীগের শীর্ষ নেতাদের সাথে বৈঠকে কংগ্রেসে ৫৫ বছরের বয়সসীমা করার সিদ্ধান্ত দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। সে কারণে এবার অধিকাংশ নেতারা বাদ পড়ছেন কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে। সেক্ষেত্রে নতুন কমিটির জন্য বর্তমান কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্যদের কয়েকজন, যুগ্ম সম্পাদকদের মধ্যে তিনজন এবং সম্পাদকমণ্ডলি ও কেন্দ্রীয় সদস্যদের মধ্যে কয়েকজন নেতাকর্মীর নাম আলোচনায় ছিলেন। তবে এরইমধ্যে নেতৃত্বের ধোঁয়াশা থেকে স্পষ্ট হয়েছেন বাকিরা। বর্তমান কংগ্রেসের বাইরে থেকে চেয়ারম্যান এবং ভেতর থেকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নেতৃত্বে আসছেন, এটি নিশ্চিত।

এর আগে, যুবলীগের সর্বশেষ কংগ্রেস হয় ২০১২ সালের ১৪ জুলাই। চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান বঙ্গবন্ধুর পরিবারের আত্মীয় ওমর ফারুক চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক হন হারুন-অর-রশিদ। ওমর ফারুক চৌধুরী শেখ মনি এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের বোন জামাই।

এদিকে প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুবলীগের ছয়টি জাতীয় কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে চারটিতে চেয়ারম্যান ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মনি, কমিটিতেও ছিল তার নিকটাত্মীয়দের আধিক্য। তাই যুবলীগের প্রতিটি সম্মেলনেই প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের পরিবারের কেউ না কেউ আলোচনায় আসেন। এবারও আলোচনায় ছিলেন শেখ ফজলুল হক মনির বড় ছেলে শেখ ফজলে শামস (পরশ) ও ছোট ছেলে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের নাম। পরশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা করেন আর তাপস ঢাকা-১০ সংসদীয় আসন সংসদ সদস্য। এছাড়াও তিনি বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নেতৃত্বে আছেন। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু পরিবারের আত্মীয় হিসাবে আলোচনায় ছিলেন যুবলীগের বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির দুই সদস্য হলেন শেখ ফজলে ফাহিম ও শেখ ফজলে নাইম। তারা দু’জন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ও যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল করিম সেলিমের ছেলে।

অন্যদিকে যুবলীগের বর্তমান কংগ্রেসের অনেকের নাম আলোচনায় থাকলেও বর্তমান কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য বেলাল হোসাইন এবং যুগ্ম সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ (মহি) এখন সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাবনার দৌঁড়ে এগিয়ে আছেন। সেক্ষেত্রে যুবলীগ চেয়ারম্যান হিসাবে পরশ নির্বাচিত হলে তার রানিংমেট হিসাবে বেলাল হোসেনের চেয়ে মহিউদ্দিন আহমেদ এগিয়ে থাকছেন। কারণ বেলাল হোসেন পরশের চেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ হওয়ার কারণে সাংগঠনিক ভারসাম্য রক্ষার্থে পরশের রানিংমেট হিসাবে মহি এগিয়ে রয়েছেন বলে দলের একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে।

যুবলীগের বাইরে বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন মহিউদ্দিন আহমেদ (মহি)। এছাড়াও তিনি চলতি বছরে ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেটিভ ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনের বোর্ড মেম্বার নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট বেলাল হোসাইন বর্তমান কমিটির মেয়াদে যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।

যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আলতাফ হোসেন বাচ্চু সারাবাংলাকে বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা সাংগঠনিক নেত্রী। তিনি যে নেতৃত্ব দেবেন, সেটাই আমরা মেনে নেব। এখানে আমাদের চিন্তাভাবনা করার কিছু নেই। সবদিক বিবেচনা করেই তিনি নেতৃত্ব নির্ধারণ করবেন, সেটা আমাদের গ্রহণ করতে হবে।’

যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘নেত্রী (শেখ হাসিনা) সিদ্ধান্ত নেবেন কী ধরনের নেতৃত্ব যুবলীগের জন্য উপযোগী। সবকিছু বিবেচনা করে তিনি যে নেতৃত্ব দেবেন, সেটাই আমরা মেনে নেব। যুবলীগ একটি ‘মাল্টিক্লাস’ সংগঠন। সেই প্রত্যাশাতেই তিনি আগামী দিনের জন্য নেতৃত্ব উপহার দেবেন। সেই আস্থা ও বিশ্বাস আমাদের আছে।’

সারাবাংলা/এনআর/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন