সোমবার ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২ পৌষ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৮ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে শনিবার বৈঠকে বসবেন শাজাহান খান

নভেম্বর ২২, ২০১৯ | ৭:১৯ অপরাহ্ণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: নতুন সড়ক আইন-২০১৮ সংশোধনের ব্যাপারে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে শনিবার (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খান।

বিজ্ঞাপন

বৈঠকে শাজাহান খানের সঙ্গে শ্রমিক ফেডারেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত থাকবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এ বৈঠকে শ্রমিকদের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন শাজাহান খান।

শুক্রবার (২২ নভেম্বর) পল্টনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যালয়ে বৈঠকের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন শাজাহান খান।

শাজাহান খান বলেন, ‘আমাদের সিদ্ধান্ত হয়েছে দুর্ঘটনার তদন্ত বুয়েটের এক্সিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এআরআই) ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে করতে হবে। তাহলে কে দায়ী বেরিয়ে আসবে। মামলাগুলোকে বিচার-বিশ্লেষণ করে চার্জশিট দিতে হবে। সেখানে পথচারী, যাত্রী, রাস্তা, ড্রাইভার নাকি মালিকের পুরানো গাড়ির কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে সেটি দেখতে হবে।’

বিজ্ঞাপন

নুতন আইনের কোন কোন ধারা পরিবর্তন চায় ফেড়ারেশন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শাজাহান খান বলেন, ‘আমরা এখনও ধারা নির্ধারণ করিনি। আইনের কোন কোন ধারায় পরিবর্তন আনা উচিত তা আমরা কালকেই বসে নির্ধারণ করব। সড়ক পরিবহন সেক্টরে অন্যান্য যেসব সমস্যা রয়েছে সেগুলোও আমরা তুলে ধরব। সেই দাবিনামা আমরা সরকারের কাছে পেশ করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগামী ২৪ তারিখ সড়ক পরিবহন টাস্কফোর্সের বৈঠক রয়েছে। এর আগে আমরা যে ১১১টি সুপারিশ নির্ধারণ করেছি সেই সুপারিশ বাস্তবায়ন নিয়ে সেখানে আলোচনা হবে। সেখানেও আমরা বিষয়গুলো তুলে ধরব। আমি বিশ্বাস করি, যে সুপারিশ করা হয়েছে তা যদি বাস্তবায়ন করতে পারি তাহলে বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেমে আসবে।’

শাজাহান খান বলেন, ‘আইনটি করার আগে আমরা কিছু বেশ প্রস্তাব করেছিলাম। কিন্তু তা গ্রহণ করা হয়নি। এ বিষয়ে আগামীকাল সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমরা উনার সঙ্গে বৈঠক করে সেখানে আমাদের আলোচনাগুলো তুলে ধরব। কীভাবে সমস্যাগুলো সমাধান করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা করব। পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলন করে আমাদের কর্মসূচি জানাব।’

ট্রাক শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করেছিল কি ফেডারেশনের নির্দেশে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কেউ কেউ ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। তেজগাঁওয়ের যে পণ্যপরিবহন সমিতির সেটা আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। ২৩৩টি সংগঠন আমাদের ফেড়ারেশনের অন্তর্ভুক্ত। তার মধ্যে দেড় শতাধিক সংগঠনের প্রতিনিধি আজকের সভায় যোগ দিয়েছেন। এ ছাড়া যেসব শ্রমিকরা আন্দোলন করতে চেয়েছিল বলতে গেলে আমাদের হস্তক্ষেপে সেটি বন্ধ হয়েছে।’

এর আগে, সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনের বিষয়ে সারাদেশের ফেডারেশনের কার্যকরী সদস্যদের নিয়ে গত দু’দিন ধরে আলোচনা করে আসছিলেন তারা।

গত ১ নভেম্বর নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর করতে মাঠে নামে প্রশাসন। আইনটি কার্যকর করার পর থেকে শুরু হয় মিশ্র প্রতিক্রিয়া। ওই আইনটি সংশোধনের জন্য পরিবহন শ্রমিকরা কর্মবিরতিও পালন করেছেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএইচ/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন