বিজ্ঞাপন

পকেটে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, পুলিশসহ চারজন কারাগারে

November 29, 2019 | 9:40 pm

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলে তিন পুলিশ সদস্যসহ চারজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। অভিযোগ উঠেছে, সখীপুর উপজেলার গাবিলার বাজার এলাকায় তারা এক ব্যক্তির পকেটে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করেন।

বিজ্ঞাপন

এই ঘটনায় আরও দুই পুলিশ সদস্য এবং এক সোর্স জড়িত ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, তারা পালিয়ে যাওয়ায় আটক করা সম্ভব হয়নি। গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে স্থানীয়রা গণপিটুনি দিয়ে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেন।

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, সেই ৫ পুলিশ বরখাস্ত

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার (এসপি) সঞ্জিত কুমার রায় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এ ঘটনায় সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আয়নুল হক বাদী হয়ে সাতজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন। এদের মধ্যে চারজনকে আদালত কারাগারে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। এরা হলেন— মির্জাপুরের বাঁশতৈল পুলিশ ফঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রিয়াজুল ইসলাম, কনস্টেবল গোপাল সাহা ও রাসেল এবং পুলিশের সোর্স হাসান।

অটোরিকশা থেকে নামিয়ে পুলিশ বলে, ‘তোদের কাছে ইয়াবা আছে’

সঞ্জিত কুমার আরও বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি, ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য তারা সেখানে গিয়েছিলেন। চারজনের কাছে ২৫ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে। মামলার বাকি তিন আসমি ওই ফাঁড়ির কনস্টেবল হালিম ও মোজাম্মেল এবং পুলিশের সোর্স আল আমীন এখনো পলাতক। তাদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ অস্ত্র দিয়ে ফাঁসিয়েছিল, প্রমাণ হলো আদালতে

স্থানীয়রা বলেন, এএসআই রিয়াজের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা গাবিলার বাজারে আসেন। তারা ভাতকুড়াচালা এলাকার ফরহাদ মিয়ার ছেলে বজলুর পকেটে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে সেখানে শতাধিক মানুষ জড়ো হয়ে যায়। পুলিশ সদস্যদের রাজাবাড়ি আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়ে গিয়ে গণপিটুনি দেওয়া হয়। এরপর বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। সখীপুর এবং মির্জাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে চারজনকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

মাদক ও অস্ত্র মামলার তদন্ত ১ মাসে শেষ করার নির্দেশ

সারাবাংলা/এটি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন