রবিবার ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১০ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

নো-ম্যানস ল্যান্ডে বিএসএফ’র চৌকি স্থাপন নিয়ে উত্তেজনা

ডিসেম্বর ২, ২০১৯ | ৯:৪৯ অপরাহ্ণ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

রাজশাহী: রাজশাহী সীমান্তবর্তী নো-ম্যানস ল্যান্ডের পাশে জেগে ওঠা চরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) একটি অস্থায়ী চৌকি স্থাপন নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বিজিবির কোম্পানি পর্যায় থেকে প্রতিবাদ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হলেও বিএসএফ তা গ্রহণ করেনি।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয়রা দাবি করছেন, চরটি বাংলাদেশ ভূ-খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত। দীর্ঘ দিন থেকে তারা ওই এলাকায় চাষাবাদ করে আসছেন। গত শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) গভীর রাতে গোদাগাড়ী উপজেলার সাহেবনগর সীমান্তে বিএসএফ চৌকিটি স্থাপন করেন। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যেও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সোমবার (২ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজশাহীর ১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনে ডেলটা কোম্পানির কমান্ডার নায়েব সুবেদার শওকত আলী সাংবাদিকদের তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, নো-ম্যানস ল্যান্ড থেকে নিজ নিজ সীমানার ১৫০ মিটার ভেতরে চৌকি করতে হবে। কিন্তু বিএসএফ জিরো লাইনের ৭০ মিটারের ভেতরে অস্থায়ী চৌকি বসিয়েছে। বিজিবির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ বার্তা পাঠানো হয়েছে। আজ দুপুর পর্যন্ত তারা কোনো চিঠি গ্রহণ করেনি। বিষয়টি বিজিবির রাজশাহী ব্যাটালিয়ন সদর কমান্ডার ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

শওকত আলী জানান, গোদাগাড়ীর সাহেবনগর সীমান্ত ফাঁড়ির এক কিলোমিটার পূর্ব দিকে পদ্মা নদী থেকে বের হয়ে একটি কাটা নদী উত্তর থেকে দক্ষিণমুখী হয়ে ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলার চর লবনগোলা এলাকায় প্রবেশ করেছে। তবে কাটা নদীর ভাঙনে সেখানকার সীমানা পিলারগুলো গত বছরই বিলীন হয়ে গেছে। সম্প্রতি কাটা নদীটিতে পানি কমে যাওয়ায় পশ্চিমপ্রান্তে বাংলাদেশ সীমানা সংলগ্ন এলাকায় ছোট একটি চর জেগে ওঠে। সেখানেই বিএসএফ তাদের চৌকি বসিয়েছে।

এলাকাবাসী বলেন, জেগে ওঠা চরটি বাংলাদেশ ভূ-খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত। শুক্রবার রাতে বিএসএফ সদস্যরা ইঞ্জিনচালিত নৌকায় এসে চরটিতে অস্থায়ী চৌকি তৈরি করে। পরদিন সকাল থেকে সেখানে তারা টহল দেয়। বিজিবি সদস্যরা গতকাল (১ ডিসেম্বর) সংকেত দিলে বিএসএফ সদস্যরা চৌকি ছেড়ে চলে যায়। এরপর গভীর রাতে ফের অস্থায়ী চৌকিতে অবস্থান নেয়।

তারা আরও বলেন, এটা আমাদের জায়গা। চরের আশপাশে অনেক ফসলি জমি রয়েছে। আমরা সেখানে নিয়মিত চাষাবাদ করি। বিএসএফ চৌকি তৈরি করার পর থেকে আমরা যেতে পারছি না।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এটি

Advertisement
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন