array(4) {
  [0]=>
  string(69) "https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2019/12/shakoor-2-30x20.jpg"
  [1]=>
  int(30)
  [2]=>
  int(20)
  [3]=>
  bool(true)
}
array(4) {
  [0]=>
  string(69) "https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2019/12/shakoor-3-30x23.jpg"
  [1]=>
  int(30)
  [2]=>
  int(23)
  [3]=>
  bool(true)
}
সিডনির আড্ডায় মুখোমুখি লেখক, স্থপতি শাকুর মজিদ

বিজ্ঞাপন

সিডনির আড্ডায় মুখোমুখি লেখক, স্থপতি শাকুর মজিদ

December 3, 2019 | 12:18 pm

হাসু অবিনাশ, সিডনি থেকে

গত ১ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার সন্ধ্যায় সিডনিতে অস্ট্রেলিয়া লিটারেচার সোসাইটির উদ্যোগে প্রবাসী বাঙালিদের সাথে এক আড্ডায় মিলিত হন বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক, আলোকচিত্রী ও স্থপতি শাকুর মজিদ। শাকুর মজিদের বন্ধু, কবি আবুল হাসনাৎ মিল্টনের সঞ্চালনায় এই আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন সিডনির কবি, লেখক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও কমিউনিটির সামাজিক-রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

বিজ্ঞাপন

শুরুতেই শাকুর তার নিজের জীবনের সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন। বুয়েটের স্থাপত্য বিভাগে ভর্তি হয়ে ক্লাস শুরুর আগেই বাবা মারা গেলে পাঁচ ভাই-বোনের সংসারের দায়িত্বটা মূলত তার উপরই চলে আসে। ঢাকায় এসে বকশীবাজারের মেডিক্যাল হোস্টেলে বন্ধুদের সাথে থাকতেন। তখনই নিজের ও পরিবারের ভরণপোষণের জন্য টিউশনি করতেন। তখন মেডিক্যালের বন্ধু আবরারের পরামর্শে ক্যাডেট কলেজের টুকটাক লেখালেখির অভিজ্ঞতার উপর ভর করে বাড়তি উপার্জনের লক্ষ্যে পত্রিকায় লেখালেখি শুরু করেন। এভাবেই উপস্থিত দর্শক জানতে পারেন, একদম তৃণমূল থেকে উঠে এসে কিভাবে তিনি নিজেকে তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন।

বিজ্ঞাপন

বরেণ্য কথাশিল্পী হুমায়ুন আহমেদকে নিয়ে প্রথম পত্রিকায় প্রচ্ছদ কাহিনী করেছেন। মাত্র দুটো মঞ্চ নাটক লিখেই নাট্যকার হিসেবে নাট্যজগতে তিনি বিশেষ স্থান দখল করে নিয়েছেন। এটা কী করে সম্ভব হলো? সিডনির নাট্যশিল্পী শাহীন শাহনেওয়াজের এক প্রশ্নের জবাবে শাকুর মজিদ বলেন, সংখ্যা নয়, তিনি গুনগত মানে বিশ্বাসী। একেকটি নাটক লিখতে তিনি ছয় থেকে সাত বছর সময় নিয়েছেন, এ সংক্রান্ত প্রচুর পড়াশুনা আর গবেষণা করেছেন।

কথায় কথায় শাকুর মজিদ আরো জানালেন, তিনি সম্পূর্ণ স্বনির্মিত একজন মানুষ। তার কোন প্রভাবশালী মামা-খালু নাই। যখন যে কাজটা করেন, তা গভীর মনোযোগের সাথে গুরুত্ব দিয়েই করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, জীবনে উন্নতি করতে হলে কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। জীবনের চলার পথে কোন শর্টকাট নেই। স্থপতি শাকুর মজিদের প্রধান পেশা স্থাপত্য বিদ্যা হলেও তার সবচেয়ে ভালো লাগে ফটোগ্রাফি। জীবনে অসংখ্য দেশ ভ্রমণ করেছেন, সেসব ভ্রমণের উপর বই লিখেছেন। আর যেখানেই গেছেন অসংখ্য ছবি তুলেছেন।

আড্ডার ফাঁকে ফাঁকে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন কবি ইভানা শামস, কবি আইভি রহমান এবং কবি গোলাম মোস্তফা। গান শোনান ডা. শাহনাজ পারভীন এবং গাজী হাবীব তপু। উপস্থিত সবার পক্ষ থেকে শাকুর মজিদকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা এনায়েতুর রহিম বেলাল। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন নাসিম সামাদ, ডা. মীর জাহান মাজু- ডা. ফাহিমা সাত্তার দম্পতি, শাকুর মজিদের ক্যাডেট কলেজের বন্ধু প্রকৌশলী সাইফুল হায়দার চৌধুরী, সাংবাদিক ফজলুল বারী, ফয়সাল মতিন, আলাউদ্দিন আলোক, হাসান শিমুন, ফারুক রবীন, ওবায়দুল হক, মুক্তমঞ্চ পত্রিকার সম্পাদক নোমান শামীম, সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ খোকন, লেখক আবু সাঈদ-নুসরাত দম্পতি, কাজী সুলতানা সিমি, হ্যাপী রহমান- সোহেলদম্পতি, পুরবী পারমিতা বোস, শিল্পী তাম্মী পারভেজ-মাসুদ পারভেজ দম্পতি, স্থপতি নিফফার শায়লা সুহিন, শাহেদ রহমান, মহিউদ্দীন, আবৃত্তিকার আরিফুর রহমান, রাসেল ইসলাম।

সারাবাংলা/পিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন