বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের সম্পদ হলো বিপুল কর্মঠ জনগোষ্ঠী: অর্থমন্ত্রী

December 5, 2019 | 7:56 pm

ওমর ফারুক হিমেল, সিউল থেকে

সিউল: প্রত্যেক দেশের নিজস্ব যে সম্পদ আছে তা থেকে সুবিধা নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার অন্তরায় সৃষ্টি উচিৎ নয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সম্পদ হলো এর বিপুল কর্মঠ জনগোষ্ঠী।’

বিজ্ঞাপন

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে তিন দিনব্যাপী বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব বিষয়ক সভায় অর্থমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।

বুসান ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ ফোরাম-২০১৯ ও কার্যকর উন্নয়ন সহায়তার লক্ষ্যে বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব বিষয়ক ১৮তম স্টিয়ারিং কমিটির এ সভা তিনদিনব্যাপী চলে।

বিজ্ঞাপন

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যারা আমাদের জনশক্তি, বিদেশে তাদের জন্য কাজের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। সেক্ষেত্রে কোনো প্রকার বাধা দেওয়া যাবে না। নজর দিতে হবে কোনো দেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অস্বাভাবিক সমস্যা সমাধানের দিকেও। যেমন বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হওয়া মিয়ানমার থেকে আগত এক মিলিয়নের মতো রোহিঙ্গা আছেভ তাদের সমস্যার আশু সমাধান করতে হবে। এ ছাড়া তুরস্ক, জর্ডান ও ফিলিস্তিনের বিদ্যমান সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০৩০ এর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আর মাত্র এক দশক বাকি আছে। আমরা আমাদের যুব সমাজ, পিছিয়েপড়া মানুষদের জন্য কাজ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমাদের তথা সারাবিশ্বের মানুষের দায়িত্ব হচ্ছে আজ এবং আগামীর জন্য আরও সুন্দর, আরও স্বপ্নময় একটি সুন্দর পৃথিবী রেখে যাওয়া।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের উৎপাদিত পণ্য চলাচলে অহেতুক বাধা সৃষ্টি করা যাবে না। পরিবেশের বিপর্যয়ের হাত থেকে বিশ্বকে রক্ষা করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। এর জন্য বেশি পরিমাণ কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।’

সারাবাংলা/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন