বিজ্ঞাপন

কেরাণীগঞ্জের আগুনে দগ্ধদের সংখ্যা বেড়ে ৩৩

December 11, 2019 | 6:54 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: কেরাণীগঞ্জের প্লাস্টিক কারখানার আগুনে দগ্ধদের সংখ্যা বেড়ে ৩৩-এ দাঁড়িয়েছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগের শরীরই পুরোপুরি পুড়ে গেছে। কয়েকজনের অবস্থা সংকটাপন্ন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) ও অপারেশন থিয়েটারে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দগ্ধ রোগী ও তাদের স্বজনদের আহাজারিতে ঢামেক হাসপাতালে এক হৃদয় বিদারক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে ব্রিফিংয়ে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন এসব তথ্য জানান।

আরও পড়ুন- কেরাণীগঞ্জের প্লাস্টিক কারখানায় আগুন, দগ্ধ ২৩ জন ঢামেকে

এদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আগুন লাগে কেরাণীগঞ্জের প্রাইম প্যাক্ট নামে ওই প্লাস্টিক কারখানায় আগুন লাগে। চুনকুঠিয়া এলাকার ওই কারখানায় প্লাস্টিকের ওয়ান টাইম প্লেট তৈরি করা হয়।

বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় প্রাইম প্যাক্ট কারখানায়। এরপর ঘটনাস্থল থেকে ঢামেক হাসপাতালে আসতে থাকে দগ্ধ রোগীরা। শুরুতে ২৩ জনকে ভর্তি করা হয় বার্ন ইউনিটে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত মোট ৩৩ জনকে ভর্তি করা হয়েছে ঢামেক হাসপাতালে।

কেরাণীগঞ্জের আগুনে দগ্ধদের সংখ্যা বেড়ে ৩৩

ব্রিফিংয়ে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেন, আগুনে দগ্ধ রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত কারও মৃত্যু হয়নি। তবে কয়েকজনের অবস্থা সংকটাপন্ন। চিকিৎসা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আর কোনো মন্তব্য করতে তিনি রাজি হননি।

বিজ্ঞাপন

এদিকে, ঢামেক হাসপাতালের পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আগুনে দগ্ধদের চিকিৎসার তদারকি করছেন। বার্ন ইউনিটে স্থান প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাদের বিভিন্ন ওয়ার্ড, আইসিইউ ও অপারেশন থিয়েটারে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বার্ন ইউনিটে দায়িত্বরত সব ডাক্তার উপস্থিত থেকে তাদের চিকিৎসা করছেন।

ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক জানান, ঢামেক হাসপাতালে দগ্ধদের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব না হলে তাদের প্রয়োজনে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হবে।

সরেজমিনে ঢামেক হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, বার্ন ইউনিটের বারান্দায় কাঁতরাচ্ছেন দগ্ধ রোগীরা। তাদের বেশিরভাগেরই গোটা শরীর ব্যান্ডেজে মোড়ানো। বাইরে তাদের স্বজনরা আহাজারি করছেন।

বিজ্ঞাপন

এদিকে, সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে দগ্ধদের দেখতে ঢামেক হাসপাতালে আসেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। এসময় তিনি তাদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি দগ্ধদের সর্বোচ্চ সুচিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশনা দেন সংশ্লিষ্টদের।

সারাবাংলা/টিএস/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন