বিজ্ঞাপন

মালিকের উদাসীনতায় কেরাণীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

December 12, 2019 | 1:01 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

মালিকের উদাসীনতা কারণেই কেরাণীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘কারখানাগুলো নিয়মকানুন মেনে কাজ করে না। সেখানে অগ্নি নির্বাপনের কোন ব্যবস্থা থাকে না। তাই কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বার বার ঘটে।’

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১২ডিসেম্বর) কেরাণীগঞ্জে দগ্ধ ব্যক্তিদের দেখতে গেলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অনেক কারখানায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঢুকতে পারে না। অগ্নি নির্বাপনের কোন ব্যবস্থা রাখেন না মালিকরা।’ এই বিষয়ে মালিকদের সতর্ক থাকতে বলেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘মালিকদের উদাসীনতায় কেরাণীগঞ্জে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ যেখানে আগুন লেগেছে সেখানে নিশ্চয়ই আগুন নেভানোর সরঞ্জাম ছিল না। পুরান ঢাকার কয়েক জায়গায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আগেও ঘটেছে। এজন্য সরকার একটি উদ্যোগ নিয়েছে। কারখানাগুলোর জন্য একটি বড় জায়গা করে রেখেছে। পুরান ঢাকার কেমিকেল গোডাউনগুলো সেখানে নিয়ে যাওয়া হবে। সব কারকানায় ফায়ার সেফটি ভালো রাখতে হবে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, কেরাণীগঞ্জের ঘটনায় যে রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তাদের অবস্থা ভালো না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাদের সার্বক্ষনিক খবর রাখছেন এবং সরকারী খরচে চিকিৎসার নির্দেশনা দিয়েছেন।

বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, যারা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তাদের অবস্থা বেশ নাজুক। বদ্ধ ঘরে আগুন লাগলে মানুষের যে অবস্থা হয় এ ঘটনাটিও তেমন।

এ পর্যন্ত বার্ন ইউনিটে ১১জন রোগী মারা গেছে। হাসপাতালে ভর্তি আছে ২১ জন। পুরান বার্ন ইউনিট থেকে ১১ জনকে নতুন শেখ হাসিনা ন্যাশনাল প্লাস্টিক সার্জারী ইনষ্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে।

সারাবাংলা/এসএস/টিসি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন