সোমবার ২০ জানুয়ারি, ২০২০ ইং

শিলংয়ে কারফিউ: তামাবিলে আটকা ৩ শতাধিক বাংলাদেশি পর্যটক

ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯ | ৭:৪৪ অপরাহ্ণ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

সিলেট: ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলংয়ে তিনদিনের কারফিউ জারি করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ফলে শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল থেকে শিলংমুখি বাংলাদেশি তিন শতাধিক পর্যটককে ডাউকি ইমিগ্রেশন থেকে ফিরিয়ে দিয়েছে ভারত কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞাপন

সিলেটের তামাবিলে বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন তাদের ভারতে ঢোকার অনুমতি দিলেও ডাউকি থেকে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে কোনো ধরনের নোটিশ না দিয়েই ভারত পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ করে দেয়।

গোয়াহাটিতে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশন জানিয়েছে, শিলংয়ে তিনদিন পর্যন্ত কারফিউ বলবৎ থাকতে পারে। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে তা আরও বাড়তে পারে। যাতায়াত বন্ধ করে দেওয়ায় বাংলাদেশি পর্যটকরা বিপাকে পড়েছেন।

বিজ্ঞাপন

সিলেটের তামাবিল দিয়ে ডাউকি হয়ে সাধারণত ভারতের মেঘালয় রাজ্যে বেড়াতে যান বাংলাদেশিরা। শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় পর্যটকদের ভিড়ও ছিল তুলনামূলক বেশি। তবে বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেল থেকে মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে কারফিউ জারি হয়।

তামাবিল কাস্টমসের উপ-পুলিশ পরিদর্শক রমজান মিয়া বলেন, ‘সকাল ১১টা পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে আমরা শতাধিক যাত্রীকে ভারতে ছাড়ি। তবে কিছুক্ষণ পরই তারা ফিরে আসেন। তাদের ভারদে যেতে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানান তারা।’

শিলংয়ে বেড়াতে যাওয়ার জন্যে শুক্রবার সকালেই স্ত্রী-সন্তান নিয়ে তামাবিলে হাজির হন কুমিল্লার সাদ উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘ডাউকিতে অনেকক্ষণ বসিয়ে রাখার পর ভারতীয় কাস্টমস কর্মকর্তারা আমাদের ফিরিয়ে দিয়েছেন। এ ব্যাপারে আমাদের আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি। ফলে আমাদের মতো অনেকেই ভোগান্তিতে পড়েছেন।’

ভারতের ডাউকি কাস্টমস অফিসের কাস্টমস কর্মকর্তা ডেকলিন রেনজা বলেন, ‘কারফিউয়ের কারণে শিলংয়ে হোটেল-দোকানপাট বন্ধ আছে। পর্যটকদের দুর্ভোগ আর নিরাপত্তার কথা ভেবে আমরা তাদের যেতে দিচ্ছি না। পরিস্থিতি শান্ত হলে আবার বাংলাদেশি পর্যটকরা যেতে পারবেন।’

এদিকে শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) তামাবিল দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারতে যাওয়ার কথা ছিল। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) তিনি তার সফর বাতিল করেন।

সারাবাংলা/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন