রবিবার ১৯ জানুয়ারি, ২০২০ ইং

পাকিস্তান সফরে কাউকে জোর করবে না বিসিবি

ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯ | ৭:৩৪ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

পাকিস্তানের বিদম্যান নিরাপত্তা কথা চিন্তা করে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের কেউ যদি দেশটিতে সিরিজ খেলেতে যেতে না চায়, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড জোর করবে না। সেক্ষেত্রে বিকল্প কি বা কারা যাবে? এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে একথা বলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

তার মতে, ‘এটা তো জোর করার কিছু নেই। বোর্ড থেকে কাউকে জোর করে পাঠানো হবে না। এটা হল এখন পর্যন্ত আমাকে যদি জিজ্ঞেস করেন আমার চিন্তা। কাউকে জোর করে পাঠানোর কোনো প্রশ্নই ওঠে না। বিকল্প টিম যাবে নাকি ওরাই যাবে সেটি পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে।’

বিজ্ঞাপন

কিন্তু তার আগে বড় প্রশ্ন হচ্ছে আগামি বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় এই সিরিজটি হবে কী না। কেননা সিরিজটিকে সামনে রেখে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের দেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার যে প্রতিবেদন বাংলাদেশের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষক দলের দেওয়ার কথা তা এখনো হাতে পায়নি দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ এই প্রশাসন। তবে এ সংক্রান্ত বিষয়ে বিসিব বস যে ইঙ্গিত দিলেন তাতে ধরে নেয়া যায় বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল পাকিস্তান সফরে যাচ্ছে।

কেননা এই ক্ষেত্রে তাকে আশাবাদী করে তুলছে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ নারী ও অনু-১৬ ক্রিকেট দলের দলের পাকিস্তান সফরের অভিজ্ঞতা। গেল অক্টোবরে তিনটি টি টোয়েন্টি ও দুটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে পাকিস্তান সফরে যায় বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। তার আগে দেশটি সফর করে এসেছে অনু-১৬ ক্রিকেট দল। এবং তারা অক্ষত অবস্থায়ই দেশে ফিরেছে। এবং ওই দুই দলকে দেওয়া পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় তুষ্ট বিসিবি সভাপতি।

‘নিরাপত্তার ব্যাপারে সরকারের কাছে যে আবেদন করেছিলাম, নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যাপারে ছাড়পত্র পাব কিনা। সেটা নিয়ে পাঠিয়েছিলাম। এর আগে মেয়েদর টিম গিয়েছে, এইচপি দল গিয়েছে ওরা খেলে এসেছে। জাতীয় দলের ছাড়পত্র এখনো আমরা পাইনি। যদিও সিকিউরিটির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেন সেটা অনূর্ধ্ব-১২ হোক, জাতীয় দল হোক নিরাপত্তা নিরাপত্তাই। সবার জন্য একই হওয়ার কথা।’

‘তাই আমরা ধরে নিচ্ছি সম্ভাবনা রয়েছে আমরা নিরাপত্তা ছাড়পত্র পেয়ে যাব। তারপরও যেহেতু আমরা হাতে পাইনি কাগজটা। এবং ওনারা গিয়েছেন দেখেছেন। সে ক্ষেত্রে আমরা আমরা আশা করছি যেকোনা দিন পেয়ে যাব। পাওয়ার পর বলতে পারব আমরাদের সিদ্ধান্তটা কী। কারণ এখানে একটা হচ্ছে নিরপত্তা নিশ্চয়তা। সবমিলিয়ে সবকিছু প্রায় শেষের দিকে আছে। নিরাপত্তা ছাড়পত্র পাওয়ার পরই আমরা বসব। আশা করছি আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে এটার একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারব।’ যোগ করেন পাপন।

আগামি বছরের শুরুতে এই সিরিজে স্বাগতিকদের বিপক্ষে বাংলাদেশের দুটি টেস্ট ও তিনটি টোয়েন্টি খেলার কথা রয়েছে।

সারাবাংলা/এমআরএফ/এনএ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন