বিজ্ঞাপন

বন্দর ও যোগাযোগে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা চান ব্যবসায়িরা 

February 20, 2018 | 4:05 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

বিজ্ঞাপন

ঢাকা:ব্যবসায়িক সুবিধা নিশ্চিত করতে বন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন চান দেশের ব্যবসায়ী নেতারা। এজন্য সরকারকে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণেরও আহ্বান জানিয়েছেন তারা। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত এক সেমিনারে ব্যবসায়ী নেতারা এ আহ্বান জানান।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলেন, পরিবহন ব্যবস্থা যারা পরিচালনা করেন, তাদের একটা একচেটিয়া ক্ষমতা থাকে। তারা যেন ব্যবসায়ীদের উপর এই একচেটিয়া ক্ষমতা প্রয়োগ না করেন। এক্ষেত্রে রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষের একটা ভূমিকা থাকতে পারে।

বিজ্ঞাপন

দেশের বন্দরগুলোর আধুনিকায়নে ব্যবসায়িদের দাবির প্রসঙ্গে মশিউর রহমান বলেন, ব্যবসায়ীদের সব সুপারিশ রাতারাতি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়না। তবে রেগুলাটির কর্তৃপক্ষ করার যে কথা বলা হচ্ছে, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে  ব্যবসায়িদের আশ্বস্ত করেন তিনি।

নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সাবেক সভাপতি ও সংসদ সদস্য নূরে ই আলম চৌধুরী বলেন, ব্যবসায়িরা শুধুমাত্র চট্টগ্রাম বন্দরের উপর নির্ভরশীল। তারা অন্য কোন বন্দরে যেতে চায় না, ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজজট লেগেই থাকে। অথচ সরকার পায়রা বন্দরেও ব্যবসায়িদের জন্য অনেক সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করেছে। ব্যবসায়িরা সেগুলো কাজে লাগাতে পারেননি।

বিজ্ঞাপন

বন্দরের নানা সমস্যা তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও সিঙ্গাপুরে অনেকগুলো বন্দর থাকলেও সেখানে একটাই কর্তৃপক্ষ, একটাই আইন। ফলে তাদের বন্দরে পণ্য আনা নেয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা কম হয়। বাংলাদেশেও এমন একই আইন ও একই কর্তপক্ষ দরকার।

নদীপথে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দিয়ে ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাশেম খান বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করতে হবে। এক্ষেত্রে নদীপথে যোগাযোগের উপর গুরুত্ব দিতে হবে। শুধু নদী পথই নয়, আমরা সকল যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়েই দীর্ঘ পরিকল্পনার কথা বলছি। নতুবা আমাদের মধ্যম আয়ের দেশের যে লক্ষ্যমাত্রা তা অর্জিত হবে না ।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, বন্দরগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে, যাতে রফতানিকারকরা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে তারা কোন বন্দর ব্যবহার করবেন। রফতানি আয়ের ৫০ বিলিয়ন ডলারের যে লক্ষ্যমাত্রা আছে, যদি জাহাজটসহ বন্দরের সমস্যাগুলো অচিরেই দূর করা না যায়, তবে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পানগাঁও আইল্যান্ড কনটেইনার টার্মিনালের ম্যানেজার আহমেদুল করিম চৌধুরী, মার্কস এন্ড স্পেন্সারের কান্ট্রি হেড স্বপ্না ভৌমিক প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/ইএইচটি/এমএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন