বিজ্ঞাপন

রোববার বিসিবির গুরুত্বপূর্ণ সভা

January 11, 2020 | 4:07 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

পাকিস্তান সিরিজ আটকে আছে, পেস বোলিং কোচ শার্ল ল্যাঙ্গাভেল্টের উত্তরসূরি লাগবে, নতুন বছরে ক্রিকেটারদের কেন্দ্রীয় চুক্তির নবায়ন করতে হবে, ফেব্রুয়ারিতে জিম্বাবুয়ে সিরিজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে হবে, সিদ্ধান্ত নিতে হবে ঘরোয়া ক্রিকেটের একাধিক বিষয় নিয়েও। এর বাইরেও হয়ত আরো ইস্যু আছে। যা নিয়ে আশু সিদ্ধান্ত গ্রহণ অপরিহার্য।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোই আগামীকাল বোর্ড সভায় প্রাধান্য পাবে। রোববার (১২ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে নতুন বছরের প্রথম সভাটি অনুষ্ঠিত হবে।

তবে সবকিছু ছাপিয়ে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে পাকিস্তান সিরিজ। কেননা বিষয়টি এখন আর শুধুই বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সাইকেল বাস্তবায়নে গোটা ক্রিকেট বিশ্বেরই আলোচ্য বিষয়ে পরিণত হয়েছে। বলা বাহুল্যই হবে যে, সিরিজটিকে সফলভাবে মাঠে গড়ানো নিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড সব রকমের ব্যবস্থাই নিয়েছে। সফরকারী দলের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়োগ দিচ্ছে প্রেসিডেন্টশিয়াল নিরাপত্তা রক্ষীদের। এখন শুধু বিসিবি হ্যাঁ বললেই হলো।

বিজ্ঞাপন

পাকিস্তান সফর নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড চাইছিলো আপাতত তিন ম্যাচ সিরিজের টি-টোয়েন্টি খেলে ছেলেরা দেশে ফিরুক। দুই ম্যাচ সিরিজের টেস্ট পরে নিরপেক্ষ কোনো ভেন্যুতে খেলবে। পক্ষান্তরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) চাইছিলো টি-টোয়েন্টির সঙ্গে দুই ম্যাচ সিরিজের টেস্টও তাদের মাটিতেই হোক। কিন্তু হঠাৎ করেই ভোল পাল্টেছে পিসিবি। এখন তারা বলছে যেহেতু টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ গুরুত্বপূর্ণ সেহেতু আগে টেস্ট সিরিজটি হোক। টি-টোয়েন্টি সিরিজ না হয় পরে খেলা যাবে।

পাকিস্তানের দেওয়া নতুন এই প্রস্তাবের পর বুধবার (৮ জানুয়ারি) রাত পর্যন্ত সংবাদমাধ্যমকে চুড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারেননি বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। বলেছিলেন সিদ্ধান্ত জানাবেন পরদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে। তবে সেদিনও কিছুই জানাননি তিনি। ফলে বিসিবির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে পিসিবি।

তবে তাদের এই অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে মাত্র একদিন পরেই। রোববার (১২ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত বিসিবির বোর্ড সভা। সেই সভা শেষে বিসিবি সভাপতি পাকিস্তান সিরিজ নিয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন।

পাকিস্তান সিরিজ নিয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্তের পরে গুরুত্বের বিবেচনায় এগিয়ে থাকবে ক্রিকেটারদের কেন্দ্রীয় চুক্তির বিষয়টি। জানা গেছে, ২০২০ সালের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়তে যাচ্ছেন আইসিসি’র নিষেধাজ্ঞায় সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান।

২০১৯ সালের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ‘এ প্লাস’ ক্যাটাগরিতে ছিলেন পাঁচ সিনিয়র ক্রিকেটার— মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ‘এ’ ক্যাটাগরির তিন ক্রিকেটার ছিলেন; ইমরুল কায়েস, মোস্তাফিজুর রহমান ও রুবেল হোসেন।

আর ‘বি’ ক্যাটাগরির চার ক্রিকেটার— মুমিনুল হক, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। এর বাইরে ‘রুকি’ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছিল পাঁচ ক্রিকেটারকে। আবু হায়দার, আবু জায়েদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নাঈম হাসান ও খালেদ আহমেদ।

সারাবাংলা/এমআরএফ/এসএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন