শনিবার ১৮ জানুয়ারি, ২০২০ ইং

পহেলা এপ্রিল থেকে সিঙ্গেল ডিজিটে ব্যাংক ঋণ সুবিধা: গর্ভনর

জানুয়ারি ১৪, ২০২০ | ৭:৫৮ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: আগামী পহেলা এপ্রিল থেকে সিঙ্গেল ডিজিটে ঋণ সুবিধা দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি বেশিরভাগ ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। অর্থনীতি, ব্যবসায়ী সম্প্রদায়, সাধারণ জনগণের অবস্থার উন্নয়নে সরকার সিঙ্গেল ডিজিট হারে ঋণ সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকে তার কার্যালয়ে ফজলে কবির এ কথা বলেন। এর আগে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) নবনির্বাচিত সভাপতি শামস মাহমুদের নেতৃত্বে পরিচালনা পর্ষদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

ফজলে কবির বলেন, সরকার ইতোমধ্যে বৃহৎ অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। দেশের ব্যবসায়ী সমাজ এ সুযোগ নিয়ে বিনিয়োগে এগিয়ে আসবে, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত হতে পারবে।

খেলাপি ঋণ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেন, ইচ্ছাকৃত ও অনিচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপি চিহ্নিতকরণে আইনে সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা রয়েছে। তবে কোনো উদ্যোক্তা যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গ্যাস সংযোগ অথবা ব্যাংক ঋণ সেবা না পেয়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যর্থ হন— সেটি বিশেষ বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে।

বন্ড মার্কেট বিষয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) স্ট্যাম্প ডিউটি প্রত্যাহার করেছে, যা বাংলাদেশের বন্ড মার্কেট সম্প্রসারণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। দেশে একটি সেকেন্ডারি বন্ড মার্কেট চালু একান্ত জরুরি।

শামস মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ ৮ শতাংশ হারে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করলেও কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ছে না। সেই সঙ্গে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহের হার নিম্নমুখী। ২০১৯ সালের নভেম্বরে ছিল ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এ জন্য ব্যাংক ঋণের সুদের উচ্চহার অন্যতম প্রধান কারণ।

এ সময় তিনি বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ স্থবিরতা কাটানোর জন্য ব্যবসা-সহায়ক পরিবেশ উন্নয়নের পাশাপাশি ব্যাংক ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নিয়ে আসার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং রিফর্ম অ্যাডভাইজর এস কে সুর চৌধুরী বলেন, ব্যাংকিং ইকোসিস্টেম, সুষ্ঠু আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং প্রাক্কলিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশে ব্যাংক সব সময় নীতি সহায়তা দিয়ে আসছে। আগামীতেও এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

মুক্ত আলোচনায় ডিসিসিআই পরিচালক আন্দালিব হাসান, আরমান হক, নূহের লতিফ খান এবং ওয়াকার আহমেদ চৌধুরী অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন ডিসিসিআই‘র ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি এন কে এ মবিন, পরিচালক দীন মোহাম্মদ, এনামুল হক পাটোয়ারী, মো. আল আমিন, মনোয়ার হোসেন, শামসুজ্জোহা চৌধুরী এবং এস এম জিল্লুর রহমান।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন