বিজ্ঞাপন

আইসিসির ইভেন্ট পেতে বাংলাদেশ বিড করবে

January 20, 2020 | 8:37 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

২০২৩-২০৩১ সাল পর্যন্ত আইসিসির ইভেন্ট নির্ধারণ ও বণ্টনে অন্যান্য দেশের ধারাবাহিকতায় গতকাল (১৯ জানুয়ারি) রাতে তিন দিনের বাংলাদেশ সফরে এসেছেন আইসিসির সিইও মানু সোহানি এবং সংস্থাটির বানিজ্যিক প্রধান। এতদ সংক্রান্ত বিষয়ে সোমবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে এক বৈঠকে তাঁরা জানিয়েছেন, এই আট বছরে আইসিসির মোট ২৪টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। যা পেতে সদস্য দেশগুলোকে অবশ্যই বিডিং প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে তার সঙ্গে বৈঠক শেষে বিকেলে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানালেন, আইসিসির ইভেন্ট পেতে বাংলাদেশ অবশ্যই বিড করবে।

তিনি বলেন, ‘২০২৩-২০৩১ পর্যন্ত যে ইভেন্টগুলো হবে ছেলেদের ৮টি, মেয়েদের ৮টি ও অনূ-১৯ এর ৮টি এই পর্যন্ত অ্যাওয়ার্ড করা হবে কোন পদ্ধতিতে? আগে যেটা হতো-ঘুরে ঘুরে, উপমহাদেশকেন্দ্রিক হতো, কখনো আবার সদস্যদের দ্বারা হতো, বোর্ডের সাথে কথা-বার্তা বলে হতো। এবার ওনারা যে পদ্ধতিটা করেছে সেটা হচ্ছে বিডিং। ফিফা এবং অলিম্পিক যেটা করে, তাঁরা সাধারণত দেশ বিড করে। তাই ওরা এই পদ্ধতিতে যাচ্ছে যে ক্রিকেটের জন্য দেশ বিড করবে। এবং এটা ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটা উন্মুক্ত। ইভেন্টগুলোর মধ্যে সব বিশ্বকাপ আছে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি সবকিছু। বাংলাদেশ তো অবশ্যই বিড করবে।’

কিন্তু ইভেন্টের জন্য বিডিং করলেই তো আর হবে না। সেজন্য পর্যাপ্ত অবকাঠামোও লাগবে। এই যেমন বিশ্বকাপের কথাই ধরুন না। একটি বিশ্বকাপ আয়োজনে নূন্যতম ৮টি মাঠ প্রয়োজন হয়। অপ্রিয় হলেও সত্যি, আইসিসির প্রতিটি সদস্যেরই কিন্তু তা নেই। এই বিবেচনায় তাই নিজেদের সুবিধাজনক অবস্থানে দেখছেন পাপন।

বিজ্ঞাপন

‘আমাদের সুবিধাটা হচ্ছে অন্য নতুন কোনো দেশ যদি করতে চায় তারা পারবে কিন্তু তাদের ইনফাস্ট্রাকচার ডেভলপমেন্ট করতে অনেক টাকা লাগবে। ছেলেদের একটা বিশ্বকাপ করতে গেলে ৮টি স্টেডিয়াম লাগবে। অনেক দেশ আছে যাদের ৮টি ক্রিকেট স্টেডিয়াম নাই। আমরা এবং বেশিরভাগ টেস্ট খেলুড়ে দেশের সুবিধা হচ্ছে সরকারের তরফ থেকে অবকাঠামো উন্নয়ন লগছে না।’

তিন দিনের সফর শেষে মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) ঢাকা ছাড়বেন আইসিসি সিইও ও তার সফর সঙ্গী।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এমআরএফ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন