বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৭ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৫ জমাদিউস-সানি ১৪৪১

বিজ্ঞাপন

তাবিথের প্রার্থিতা বাতিল চান বিচারপতি মানিক

জানুয়ারি ২৩, ২০২০ | ৫:০১ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে তিনি এ ব্যাপারে রোববার (২৬ জানুয়ারি) উচ্চ আদালতে রিট করবেন বলেও জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাবিথের প্রার্থিতা বাতিল চান শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক । এ সময় তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন অবসরপ্রাপ্ত এই বিচারপতি।

বিচারপতি মানিক সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইসির কমিশন সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘সিঙ্গাপুরে এনএফএম এনার্জি (সিঙ্গাপুর) প্রাইভেট কোম্পানি লিমিটেড নামে একটি কোম্পানিতে তাবিথ আউয়ালসহ তিনজনের শেয়ার রয়েছে। এই তিনজন শেয়ারহোল্ডারের একজন তাবিথ আউয়াল। অন্য দুজন তার সহযোগী।’

মানিক বলেন, ‘তাবিথসহ তিনজন মিলে এ কোম্পানির সব শেয়ারের মালিক হয়েছেন। এ কোম্পানির মূল্য দেখানো হয়েছে ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের উপরে। এটি বিশ্বের যে কোনো দেশের টাকার অর্থেই বেশ বড়।’

মানিক বলেন, ‘এনএফএম এনার্জি (সিঙ্গাপুর) প্রাইভেট কোম্পানির কথা তাবিথ আউয়াল তার হলফনামায় উল্লেখ করেননি। আইন হচ্ছে তার ও তার পরিবারের সব সদস্যের সব সম্পদ হলফনামায় দেখাতে হবে। কিন্তু তাবিথ আউয়াল তা দেখাননি।’

তিনি বলেন, ‘তার মনোনয়ন আইনত বাতিল হতে বাধ্য। এখন সমস্যা হচ্ছে এই, সময়টা খুব কম। যদি জিতে যায়, তাহলে কিন্তু উনি (তাবিথ) টিকতে পারবেন না। যদি তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়। কারণ নির্বাচনের পরেই এ প্রশ্ন আসবে, তখন যদি প্রতিষ্ঠিত হয় যে উনি মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন হফলনামায়, তাহলে উনি আর থাকতে পারবেন না। তার সিট শূন্য হয়ে যাবে। আবার নতুন নির্বাচন হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে করেছি এটি। আমার বিবেকে লেগেছে। আমি দেশের একজন নাগরিক। বিষয়টি যখন আমার চোখে এসেছে। দেশকে যারা ভালোবাসে, তারা গণতন্ত্রকে ভালোবাসে। এর সঙ্গে গণতন্ত্র ও দেশের ভবিষ্যৎ জড়িত।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘উনি অস্বীকার করেননি, স্বীকারও করেননি। যে ডকুমেন্টগুলো ইসিকে দিয়েছি, সেগুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন, এগুলো সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এসেছে। প্রতিটি ডকুমেন্ট দেখলেই বোঝা যায়, এটি সিঙ্গাপুরের কর্তৃপক্ষ দিয়েছে।’

মনোনয়ন বাছাইয়ের সময় শেষ হয়ে গেছে। এখন কমিশনের কিছু করার আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কমিশন হচ্ছে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। কমিশনকে দিয়েছি, তারা এখন বিবেচনা করবে। সব কাগজপত্রই দিয়েছি। এক্ষেত্রে আইন তো পরিষ্কার যে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকলে তার অর্থ উনি নির্বাচনের অযোগ্য।’

সারাবাংলা/জিএস/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন