বিজ্ঞাপন

আ.লীগে ট্র্যাডিশন-টেকনোলজির সমন্বয় করব: কাদের

January 24, 2020 | 12:42 pm

নৃপেন রায়, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) থেকে: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে ‘সোনার মানুষ তৈরির কারখানা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আর সেই সোনার বাংলা গড়তে আওয়ামী লীগ প্রচলিত ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের নেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণই আমাদের লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে ট্র্যাডিশনের সঙ্গে টেকনোলজি, আইডিয়ালিজমের সঙ্গে রিয়েলিজমের সুন্দর সমন্বয় করে সোনার বাংলা বিনির্মাণের চূড়ান্ত লক্ষ্য অভিমুখে আমরা উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে এগিয়ে যেতে চাই।

শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি কমপ্লেক্সে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। জাতির জনকের সমাধিতে আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রদ্ধা জানানোর আয়োজনে অংশ নিতে ওবায়দুল কাদের অন্যদের সঙ্গে এসেছেন এখানে।

বিজ্ঞাপন

ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, জাতীয় সম্মেলনের (ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত দলের ২১তম সম্মেলন) পর আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সমাধিস্থল ও জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়ায় এসেছি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনা বাংলা বিনির্মাণে সোনার মানুষ তৈরির কারখানা হিসেবে আওয়ামী লীগকে সময় যুগের চাহিদা অনুযায়ী নতুন মডেলে আমরা ঢেলে সাজাব। সাংগঠনিক কাঠামোকেও শুদ্ধ করব, সুশৃঙ্খল করব। সারাবাংলায় তৃণমূল পর্যন্ত এই লক্ষ্য ছড়িয়ে দেওয়ার শপথ ও অঙ্গীকার নিতেই আমরা আজ এখানে এসেছি।

টানা ১০ বছরের বেশি সময় ধরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় রয়েছে। তৃতীয় মেয়াদের সরকার একবছর পার করেছে। এ অবস্থায় সোনার বাংলা বিনির্মাণে কোনো ধরনের বাধা রয়েছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সোনার বাংলা বিনির্মাণ একটি সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য। আমাদের টার্গেট আছে, ভিশন আছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার যে ভিশন ২০২১, ভিশন ২০৪১ ও ডেল্টা প্ল্যান রয়েছে, আমরা এই তিনটিকে সামনে রেখে আমাদের এজেন্ডা ঠিক করেছি। সময়ের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

কাদের বলেন, বাধা ও চ্যালেঞ্জ তো থাকবেই। সময়ের পরিবর্তনে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ আসবে। নতুন নতুন বাধাও আসতে পারে। চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে হবে। আর তার জন্য সময়ের চাহিদা অনুযায়ী আমাদের সুশৃঙ্খল সংগঠন গড়ে তুলতে হবে। সাংগঠনিক শক্তি ও আদর্শের পতাকা হাতে আমরা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করব।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জানান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা পৌঁছালে তাদের নিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শ্রদ্ধা জানানো হবে জাতির পিতার সমাধিতে। এরপর মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। জুমার নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের পর সংক্ষিপ্ত আকারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

কাদের বলেন, আমাদের সভাপতি সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় রাজনৈতিক, সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করব। যেহেতু সভা সংক্ষিপ্ত হবে, তাই সুদীর্ঘ আলাপের সুযোগ নেই।

সারাবাংলা/এনআর/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন