বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৭ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৫ জমাদিউস-সানি ১৪৪১

বিজ্ঞাপন

ধবল ধোলাই এড়াতে দলে আসবে পরিবর্তন

জানুয়ারি ২৬, ২০২০ | ১:১১ অপরাহ্ণ

স্পোর্টস ডেস্ক

পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি সিরিজ হাতছাড়া হয়েছে শনিবার (২৬ জানুয়ারি) দ্বিতীয় ম্যাচের হারের মধ্য দিয়ে। একদিন বিরতি দিয়ে সোমবার (২৭ জানুয়ারি) শেষ ম্যাচে আবারো পাকিস্তানের মুখোমুখি বাংলাদেশ দল। তৃতীয় ম্যাচ নিয়ে নিজেদের পরিকল্পনার কথা আগেই জানিয়ে রাখলেন টাইগার অধিনায়ক এবং প্রধান কোচ।

বিজ্ঞাপন

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি সিরিজের ২য় ম্যাচে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানের হার। এরপর সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ এবং প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো জানিয়েছেন শেষ ম্যাচে দলে আসবে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন।

টাইগার দলপতি এই বিষয়ে বলেন, ‘আমাদের কিছু তরুণ ক্রিকেটারকে খেলিয়ে দেখতে পারি শেষ ম্যাচে। শেষ ম্যাচে আমাদের আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলে জেতার চেষ্টা করতে হবে।'

বিজ্ঞাপন

আর টাইগার দলপতির সুরে সুর মিলিয়ে রাসেল ডমিঙ্গো বলেন,‘এই সফরে সবাইকে সুযোগ দিতে হবে। আমরা ২-০ ব্যবধানে সিরিজ এরই মধ্যে হেরেছি। তিনজন ক্রিকেটার এখনো দলে সুযোগ পায়নি, তারা অবশ্যই দলে আসবে এবং আমরা আরো পরিকল্পনা করছি।'

টাইগারদের দুই প্রধানের বক্তব্যে নিশ্চিত যে শেষ ম্যাচে একাধিক পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। ডমিঙ্গোর কথা ধরলে দলের বাইরে এখন পর্যন্ত সুযোগ মেলেনি তিনজন ক্রিকেটারের। ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত, অভিজ্ঞ পেসার রুবেল হোসেন এবং তরুণ পেসার মাহমুদ হাসান।

তবে এই তিনজনের যদি সুযোগ মেলে একাদশে তাহলে বাদ পড়বে কারা? প্রসঙ্গতই আঙুল উঠছে তামিমের সঙ্গী মোহাম্মদ নাইম, মোস্তাফিজুর রহমান এবং মেহেদি হাসানের দিকেই।

সদ্য শেষ হওয়া বিপিএলে দারুণ ব্যাটিং করা নাজমুল হোসেন শান্তকে দলে নেওয়া হলে বাদ পড়তে পারেন মোহাম্মদ নাইম। তবে এর আগের দুই ম্যাচে নাইম করেছেন ৪৩ এবং ০। প্রথম ম্যাচে তো দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তো ছিলেন তিনিই। তবে? যদি নাইমকে তামিমের সঙ্গী হিসেবে রেখে শান্তকে ওয়ান ডাউনের জন্য বিবেচনা করা হয় তাহলে বাদ পড়বেন কে? সে সম্পর্কে অধিনায়ক রিয়াদ এবং প্রধান কোচ ডমিঙ্গো কোনো ধরনের মন্তব্য করেননি।

তবে নাইমের দলে থাকা নিয়ে ডমিঙ্গো মন্তব্য করেছেন ঠিকই। তিনি বলেন, ‘নাঈম প্রথম ম্যাচে ভালো করেছে। সে দুই মাস আগেও ভারতের বিপক্ষে দারুণ ব্যাটিং করেছিল। সে তার সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে। সিনিয়র খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতি নাইমদের মতো ক্রিকেটারদের জন্য সুযোগও।'

আর বিপিএলে দারুণ সাড়া জাগানো পেসার মাহমুদ হাসানকেও দেখা যেতে শেষ ম্যাচে। আর তাতে কপাল পুড়তে পারে মোস্তাফিজুর রহমানেরই। কারণ পাকিস্তানে দুই ম্যাচের একটিতেও নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি কাটার মাস্টার। দুই ম্যাচ খেলে বল হাতে ৭ ওভারে দিয়েছেন ৬৯ রান আর বিনিময়ে নিতে পেরেছেন কেবল ১টি উইকেট।

অন্যদিকে ৭ ওভারে ৫৪ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট নিয়েছেন শফিউল ইসলাম। এছাড়া আর এক পেসার আল-আমিন হোসেন ৭ ওভার বল করে মাত্র ৩৫ রানের বিনিময়ে নিয়েছিলেন ১টি উইকেট। অর্থাৎ পরিসংখ্যান বলছে টাইগারদের তিন পেসারের মধ্যে সব থেকে বাজে পারফরম্যান্স মোস্তাফিজুর রহমানের।

পারফরম্যান্সের দিক বিবেচনা করলে বাদ পড়তে হতে পারে কাটার মাস্টারকেই। আর তার বদলে দলে আসতে পারেন মাহমুদ হাসান। আর সেই সঙ্গে দলে ঢুকতে পারেন রুবেল হোসেনও।

সারাবাংলা/এসএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন