সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ২২ জমাদিউস-সানি ১৪৪১

নোয়াখালীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত সর্দার নিহত

জানুয়ারি ২৮, ২০২০ | ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

নোয়াখালী: নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ৭টি ডাকাতিসহ ১২ মামলার আসামি আন্তঃজেলা ডাকাতদলের সর্দার আনোয়ার হোসেন ইউছুফ (৪৪) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৩টার দিকে বীরকোট এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। পুলিশের দাবি, ঘটনাস্থল থেকে ১ টি বিদেশি পিস্তল, ৩ রাউন্ড গুলি, ৪ রাউন্ড কার্তুজ, ৭ রাউন্ড গুলির খোসা, ৩টি রামদা, ১টি টর্চ লাইট ও ১টি গ্যাসলাইট উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত ডাকাত সর্দার আনোয়ার হোসেন ওরফে ইউছুফ বেগমগঞ্জ উপজেলার পূর্ব লাউতলী গ্রামের আবু তাহের ওরফে ওলি উল্যার ছেলে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- উপ-পরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিন, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) লোকেশ মহাজন ও কনস্টেবল আব্দুর রহমান। আহত পুলিশ সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলার জমিদারহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে আনোয়ার হোসেন ওরফে ইউছুফকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তাকে থানায় এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এসময় রাতে তার দল ডাকাতি করার কথা স্বীকার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত পৌনে ৩টার দিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দলের সহযোগিতায় বীরকোট এলাকায় অভিযান চালায় সেনবাগ থানা পুলিশ।

এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত ইউছুফের সহযোগিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালালে, আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এসময় ইউছুফ পুলিশের কাছ থেকে পালানোর চেষ্টা করলে, অজ্ঞাত সহযোগিদের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয় সে। পরে তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলেও জানান ওসি।

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আলমগীর হোসেন জানান, ঘটনাস্থল থেকে ১ টি বিদেশি পিস্তল, ৩ রাউন্ড গুলি, ৪ রাউন্ড কার্তুজ, ৭ রাউন্ড গুলির খোসা, ৩টি রামদা, ১টি টর্চ লাইট ও ১ টি গ্যাসলাইট উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, নিহত ইউছুফ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের একজন সক্রিয় সদস্য। তার বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় ডাকাতির ঘটনায় ৭টি, ডাকাতি প্রস্তুতির ঘটনায় ৩টি, সিঁধেল চুরির ঘটনায় ১টি ও অস্ত্র আইনে ১টিসহ মোট ১২টি মামলা রয়েছে।

সারাবাংলা/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন