বিজ্ঞাপন

‘দেশ গড়তে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি পরিকল্পনা দরকার’

January 29, 2020 | 11:45 am

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: দেশ গড়ে তুলতে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি পরিকল্পনা দরকার বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই এটি দরকার বলেও মনে করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) আয়োজিত দুই দিনের ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (বিডিএফ) সম্মেলন ২০২০’ উদ্বোধন করতে এসে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি দেশকে গড়ে তুলতে গেলে যেমন একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের দরকার, তেমনি একটি পরিকল্পনাও দরকার। প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই একটি পরিকল্পনা থাকবে যে দেশটাকে তারা কীভাবে গড়তে চায়। সেভাবেই তারা দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে। আমরা সেই কাজটিই করেছি।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর আমরা একটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করি। সেটি ছিল ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা। পাশাপাশি আমরা একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নেই ২০১০ থেকে ২০২০, এর মধ্যে বাংলাদেশকে আমরা কীভাবে আমরা গড়তে চাই। এ লক্ষ্যে আমরা রূপকল্প ২০২১ প্রণয়ন করি। রূপকল্পে আমরা দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিকল্পনা প্রণয়ন করি।

দুই বছর পর আবার হচ্ছে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম সম্মেলন (বিডিএফ)। এবারের সম্মেলনের শ্লোগান, ‘কার্যকর অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে টেকসই উন্নয়ন’। সম্মেলনে সরকার এবং দাতাগোষ্ঠীর অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ও বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে। গত ২৭ জানুয়ারি সাংবাদিকদের এসব জানান, ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমেদ।

বিজ্ঞাপন

তিনি জানান, এবারের সম্মেলন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী স্মরণে উৎসর্গ করা হয়েছে।

এবারের বিডিএফে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থা- জাইকার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জুনিচি ইয়ামাদা, বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টঊইগ শেফার, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ভাইস প্রেসিডেন্ট শিক্সিন চেনসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ৪০ থেকে ৪৫ জন ব্যক্তি অংশ নেবেন।

বিজ্ঞাপন

সম্মেলনে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর মোট আটটি অধিবেশন হবে। অধিবেশনগুলোতে আলোচনার বিষয় হিসেবে রাখা হয়েছে, বেসরকারি খাতের উন্নয়নে অংশগ্রহণ ও বাণিজ্যিক সুবিধা দেওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে অর্থায়ন, স্বনির্ভর বাংলাদেশের জন্য নতুন অর্থায়ন ব্যবস্থা, গ্রামীণ উন্নয়নের মাধ্যমে সবার জন্য সুযোগ তৈরি করা, স্বাস্থ্যসেবা: অন্তর্ভুক্তিমূলক সেবা প্রদান, টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য জ্বালানী নিরাপত্তা, টেকসই নগর: ঝুকিপূর্ণ গোষ্ঠীর সুরক্ষায় সেবা দেওয়া এবং সবার জন্য মান সম্পন্ন শিক্ষা: চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি।

এর আগে ২০১৮ সালের ১৭ ও ১৮ জানুয়ারি সর্বশেষ বিডিএফ সম্মেলন হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/পিটিএম/জেএএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন