বিজ্ঞাপন

তারুণ্যের জন্য আসছে সোলাস্তা

জানুয়ারি ৩০, ২০২০ | ১০:৩৭ অপরাহ্ণ

লাইফস্টাইল ডেস্ক

বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের হৃদয়ে আসন করে নেবার প্রত্যয়ে মডেল গ্রুপের নতুন ফ্যাশন উদ্যোগ হিসেবে আসছে বিশ্বমানের ফ্যাশন ব্র্যান্ড সোলাস্তা। 'বি নিউ, বি ইউ' স্লোগানে তারুণ্যের জন্য পোশাকের সমাহার নিয়ে আসছে তারা।

বিজ্ঞাপন

মডেল গ্রুপের সাফল্যের রূপকার নারায়ণগঞ্জের খ্যাতিমান সরদার পরিবারের সন্তান মাসুদুজ্জামানের দেশের জন্য কিছু একটা করার স্বপ্ন থেকেই সোলাস্তার যাত্রা। এর আগে তাদের মোট ১৪টি সহযোগী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। পেয়েছেন দেশি-বিদেশি সম্মান ও স্বীকৃতি।

সোলাস্তা

বিজ্ঞাপন

রাজধানীর র‌্যাডিসন ব্লু-এর ওয়াটার গার্ডেনে আগামী ৩১ জানুয়ারি দিনভর বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে সোলাস্তা।

ফ্যাশন ভুবনে সোলাস্তার ভ্রমণ শুরুর পেছনের গল্পটি পাঠকদের সামনে তুলে আনতে আমরা মুখোমুখি হলাম সোলাস্তার চিফ ডিজাইনার কাশফিয়া নাহরিন হোসেনের। আলাপচারিতায় উঠে এলো সোলাস্তার নেপথ্য ভাবনার গল্পটি। আরও জানা গেল কোথা থেকে শুরু, কোথায় যেতে চান, আর কীভাবে ছুঁয়ে দিতে চান সাফল্যের মাইলফলক তার বিস্তারিত।

সারাবাংলা: সোলাস্তার পেছনের গল্পটি কী? কেন সে জন্ম নিচ্ছে? কোন স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে আপনারা তরুণ প্রজন্মের জন্য এটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিলেন?

কাশফিয়া নেহরিন: সারা দুনিয়ায় বাংলাদেশকে বিশ্বের সেরা পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক হিসেবে চেনে। প্রায় তিন দশক ধরেই এ গৌরব তার দখলে। এ অবস্থানে আসতে গেলে অনিবার্যভাবে যেসব শর্ত পূরণ করতে হয়, তার সবগুলোই সম্ভব হয়েছে আমাদের উদ্ভাবনী ডিজাইনার, বিরামহীন সৃজনশীলতা আর দক্ষ জনশক্তির কারণে। পণ্যের গুণগত মানের প্রশ্নে আমরা আপসহীন।

ভেবে দেখুন, বিশ্বের শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলো কেন দুনিয়ার অন্য প্রান্ত থেকে এসে হাজির হলো আমাদের এখানে? এটি সম্ভব হয়েছে পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখা আর আমাদের কর্মদক্ষতার কারণেই। পণ্যের চমৎকারিত্ব আর উন্নতমানের জন্য দুনিয়াতে যে স্বীকৃতিটি তারা পাচ্ছে সে তো মূলত আমাদেরই মেধা ও পরিশ্রমের ফসল। চোখের সামনে দেখছি, বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাকর ফ্যাশন মেলা আর উৎসবগুলোয় বাংলাদেশে তৈরি হওয়া পণ্য অকুণ্ঠ প্রশংসা কুড়াচ্ছে। অথচ তার কৃতিত্ব চলে যাচ্ছে অন্যের গোলায়; বঞ্চিত হচ্ছি আমরা।

এক পর্যায়ে আমরা চিন্তা করলাম এই পরিস্থিতি বদলাতে হবে। আমরা ঠিক করলাম নিজেদের যে মেধা আর সৃজনশীলতা দিয়ে আমরা এতকাল অন্যের জন্য কাজ করেছি, এবার তাকে কাজে লাগিয়েই আমরাই গড়ে তুলব আমাদের নিজস্ব ব্র্যান্ড যার ট্যাগলাইনে লেখা থাকবে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’। এই পণ্য বিশ্বের সব বড় বড় ফ্যাশন মেলায় বাংলাদেশকে তুলে ধরবে। নতুন ফ্যাশন ব্র্যান্ড সোলাস্তার মধ্য দিয়ে আমারা এবার সেই কাজটিই শুরু করছি।

সারাবাংলা: কিন্তু লক্ষ্য শুধু তরুণরাই কেন?

কাশফিয়া নেহরিন: তরুণ মানেই ফ্যাশন। যে কোনো ট্যাবু কিংবা সংস্কার থেকে তারা মুক্ত। প্রতিক্ষণ তার ছুটে চলা শুধু নতুনের পেছনে। ফ্যাশন ট্রেন্ড এমন একটি বিষয় যা প্রতিদিনই বদলে যায়। এই পরিবর্তনকে সবচেয়ে প্রথমে স্বাগত জানাতে পারে তরুণরাই।

তবে বয়সের কোঠায় আটকে নেই সোলাস্তা। আমরা মনে করি, ১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী যে কোনো মানুষকে আকর্ষণ করবে আমাদের পণ্য। সোলাস্তা নির্ভেজাল এক ফ্যাশন উদ্যোগ। তরুণ প্রজন্মের আস্থা অর্জনই আমাদের প্রথম লক্ষ্য। এই সময়টার দিকে একবার ফিরে তাকান। আজকের তরুণরা এমন এক পৃথিবীর মুখোমুখি, এর আগে যে পৃথিবী আমরা কখনো দেখিনি।
মাানুষে মানুষে, দেশে দেশে যোগাযোগ খাতে যে পর্যায়ের অগ্রগতি হয়েছে, সচেতনতা আর তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে যে গভীরতার সূচনা ঘটেছে, তেমনটি কিন্তু আমরা এর আগে কখনো দেখিনি। পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে কোথায় কখন কী ঘটছে, এ দেশের তরুণেরা কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে সেটি জেনে যাচ্ছে। এসব নিয়ে তারা পরস্পরের মধ্যে কথাবার্তা বলছে, ভাবের আদান-প্রদান করছে।

নানা বৈশ্বিক ঘটনাপ্রবাহের ভিত্তিতে তাদের মানস গড়ে উঠছে। কিন্তু দুঃখজনক হচ্ছে, এখনকার দেশীয় ফ্যাশন উদ্যোক্তারা তরুণদের এ বিষয়টিতে তেমন মনোযোগী রয়েছেন বলে আমরা দেখছি না। এই শূন্যস্থান পূরণ করতেই সোলাস্তার আবির্ভাব। সোলাস্তা কথাটার শাব্দিক অর্থ হচ্ছে, ‘বর্ণাঢ্য, প্রাণবন্ত, উজ্জ্বল’। তরুণরা সর্বক্ষণই বর্ণাঢ্য। তারা সর্বদাই উজ্জ্বল। সোলাস্তা, সেই অর্থে, আমাদের কোনো গল্প নয়; এটি সেই তারুণ্যেরই গল্প। তাই আমরা কী ভাবছি সেটা নয়, তারা কী চায় সেটাই বিবেচ্য থাকবে এখানে। আমাদের আবির্ভাবে অবসান হবে খোঁজাখুঁজির। আমরা হবো তাদের ফ্যাশন সমাধান। তরুণ হৃদয়গুলোর সঙ্গে থাকতে এবং তাদের সঙ্গেই বেড়ে উঠতে চাই আমরাও।

সারাবাংলা: সোলাস্তা কেন অনন্য? তরুণদের জন্য তাদের অফার কী থাকবে? কোন উপায়ে তরুণদের মন জয় করা সম্ভব হবে বলে বিশ্বাসী সোলাস্তা?

কাশফিয়া নেহরিন: সোলাস্তা দিচ্ছে সর্বোচ্চ সাচ্ছন্দ্যের পাশাপাশি সর্বোৎকৃষ্ট গুণগত মান। আমাদের মেধা আর শ্রমের ফসল নিয়েই তো দাপট দেখিয়ে আসছে বিশ্বের সেরা সব ব্যান্ড। ফেব্রিকেশন, সেলাই এবং নকশা উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমাদের আছে অভিজ্ঞতাপ্রসূত অনন্য দক্ষতা। আমাদের পণ্য স্বাস্থ্যপ্রদ এবং পরিবেশবান্ধব। এসব অঙ্গীকার নিশ্চিত করার জন্য আমাদের আছে নিজস্ব গবেষণা ও উন্নয়ন টিম। দেশসেরা ১২ জন ডিজাইনার কাজ করছেন আমাদের সঙ্গে। এতসব মেধা আর গুণের মেলবন্ধন ঘটানোর মধ্য দিয়েই তৈরি হচ্ছে আমাদের প্রতিটি পণ্য। প্রথম দফায় ছেলে এবং মেয়ে সবার জন্য তিনশর ওপর পণ্য নিয়ে বাজারে আসছি আমরা। পোশাক, ব্যাগ, বালা-চুড়ি, স্কার্ফ, জুতা যেটাই বলুন সেটাই পাবেন আমাদের কাছে। ঐতিহ্যবাহী থেকে নাগরিক, আদিবাসী থেকে আধুনিক সব ধরনের বৈচিত্র্যময় শৈলীর প্রতিফলন ঘটতে দেখা যাবে আমাদের পণ্যে।

সোলাস্তা

সারাবাংলা: সোলাস্তার স্লোগান কী? এই স্লোগানের উদ্দেশ্য কী?

কাশফিয়া নেহরিন: আমাদের আহ্বান ‘বি নিউ, বি ইউ’। নতুনের মধ্যেই নিত্যনতুন আবিষ্কার করে নিজেকে। সোলাস্তা বিশ্বাস করে প্রত্যেকেই যার যার নিজের মতো অনন্য ও সুন্দর। নিজের মধ্যে থাকা এই ‘সুন্দর’ বিষয়টি তার নিজেকেই আবিষ্কার করতে হবে এবং নিজেকেই সবার সামনে তুলে ধরতে হবে সেই ‘সুন্দর’। সবারই নিজের স্বপ্ন আছে; এই স্বপ্নই তাকে সবার মধ্যে অনন্য বানায়। তাই বিশ্বাস রাখতে হবে নিজের ওপর। প্রত্যেকে আমরা যার যার মতো করে বাঁচি। সবার মধ্যে লুকিয়ে থাকা মৌলিক সেই সুন্দরকে উজ্জীবিত করাটাই আমাদের আরাধনা।

সারাবাংলা: প্রায় পঁচিশ বছর আগে যাত্রা শুরু আপনাদের। পোশাকশিল্পে অভিজ্ঞতার এক দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছেন এ সময়। ঋদ্ধ সেই অভিজ্ঞতার আলোকে আমাদের কিছু বলুন। কীভাবে শুরু হয়েছিল এই সবকিছু?

কাশফিয়া নেহরিন: এর স্বপ্নদ্রষ্টা জনাব মাসুদুজ্জামান। বর্তমানে ১১ হাজার কর্মীসমৃদ্ধ মডেল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক। আন্তর্জাতিক পোশাক শিল্পের বাজারে মেধাবী এবং পরিশ্রমী হিসেবে বিরল স্বীকৃতি রয়েছে তার। ২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে একাধিকবার সিআইপি (কমার্শিয়ালি ইমপরট্যান্ট পারসন) হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জের সম্মানিত ‘সরদার’ পরিবারের সন্তান তিনি। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে দুঃসাহসী অবদান রয়েছে এই পরিবারের। মাসুদুজ্জামান প্রায় তিন দশক আগে দেশের লেখাপড়ার পাট চুকিয়ে উচ্চতর পড়াশুনার লক্ষ্যে তিন বছরের জন্য জার্মানি যান। সেখানে বিভিন্ন শিল্প উদ্যোগ, বৈশ্বিক বাণিজ্য ও পোশাকশিল্পখাতে বিভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হয়ে প্রায় শূন্য পকেটে পঁচিশ বছর আগে তিনি দেশে ফেরেন।

কিন্তু শূন্য পকেট তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। অর্জিত অভিজ্ঞতা, মেধা আর আত্মপ্রত্যয়ের জোরে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘গোমতি নিটওয়্যার’। সেই থেকে আর কখনোই পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। এ অবধি বিশ্বের প্রায় সবগুলো শীর্ষ ব্র্যান্ডের সঙ্গে ঈর্ষণীয় সুনামের সঙ্গে কাজ করেছি আমরা। গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন ও রফতানির মধ্য দিয়ে দেশের নাম আর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছি বিশ্বের সামনে। বিদেশি ক্রেতাদের কাছে মাসুদুজ্জামান আর বাংলাদেশের মডেল গ্রুপ আজ একটি বিশ্বস্ত নাম। প্রচণ্ড পরিশ্রমী এই মানুষটি যখন তার বন্ধুদের মধ্যে আসেন তখন তিনি যেমন দিল খোলা, বন্ধুবৎসল; যখন তিনি পরিবারের মাঝে তখন তিনি তেমনই মমতাময় স্নেহপরায়ণ। অবসরে ভালোবাসেন বই পড়তে আর ঘুরে বেড়াতে। আমি মনে করি, আমাদের বর্তমান প্রজন্মের তরুণদের সামনে প্রেরণার আর সাফল্যের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন মাসুদুজ্জামান।

সারাবাংলা: আজ থেকে তিন, পাঁচ বা দশ বছর পরে সোলাস্তা নিজেকে কোথায় দেখতে চায়?

কাশফিয়া নেহরিন: প্রথম বছরেই সোলাস্তার ৮টি আউটলেট চালুর পরিকল্পনা করছি আমরা। সামনের বছর হাজির হবো প্রতিটি বিভাগীয় শহরে। তৃতীয় বছরেই আমরা ডানা মেলে দেবো বৈশ্বিক ভুবনের উদ্দেশে। এই মুহূর্তে আমরা তার ব্যাক-এন্ডের কাজগুলো করছি। প্রাথমিকভাবে আমাদের আউটলেট চালু হচ্ছে বসুন্ধরা সিটি, মিরপুর, উত্তরা আর নারায়ণগঞ্জে। সমৃদ্ধ ও ইন্টারঅ্যাকটিভ একটি ওয়েবসাইট রয়েছে আমাদের। ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম- আমরা রয়েছি সবখানে। আমরা এ দেশের প্রত্যিটি তরুণ-তরুণীর মনকে ছুঁয়ে যেতে চাই। তরুণরাই আগামী। আর যতদিন আমরা তাদের সঙ্গে থাকতে পারব, তাদের হাত ধরেই এগিয়ে যাব আগামীর পথে।

সোলাস্তা

সারাবাংলা: পোশাক শিল্পে অনন্য সাফল্যের পাশাপাশি অনেক ধরনের সামাজিক ও কম্যুনিটি কার্যক্রমেও সম্পৃক্তি এবং খ্যাতি আছে আপনাদের। সে আলোকে করপোরেট সোসাল রেসপনসিবিলিটি নিয়ে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কি আপনাদের?

কাশফিয়া নেহরিন: আমরা সবাই জানি, আগামী দুই দশকের ভেতর উন্নত দেশের কাতারে উঠে আসার লক্ষ্যে জোর কদমে ছুটতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে সামনে; কিন্তু সেগুলো টপকে যাওয়ার সামর্থ্যও আমাদের রয়েছে। এজন্য আমরা মনে করি, আমাদের মতো এ ধরনের উদ্যোগ আরো বেশি বেশি হওয়া দরকার এখানে। উন্নত দেশ হওয়ার লক্ষ্য ছুঁতে চাইলে সে ধরনের পরিবেশ অবশ্যই সৃষ্টি হতে হবে। আমাদের কাছে ব্যবসার অর্থ হচ্ছে, কম্যুনিটি বা সমাজ আর মানুষের সঙ্গে এক মমতার বন্ধন। আমরা মনে করি, ক্রীড়াক্ষেত্রে আমাদের আরো বহু উন্নতি করার সুযোগ ও সম্ভাবনা রয়েছে। তাই অনেকগুলো স্পোর্ট ইস্টিটিউটের সাথে জড়িয়ে আছি আমরা। একটা ক্রিকেট ক্লাব গড়ে তুলেছি। তাছাড়া উৎপাদন-বিপননসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা সব সময় পরিবেশ, প্রাণ ও প্রকৃতির কথা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে থাকি।

সারাবাংলা: বাংলাদেশের এ সময়ের তরুণদের জন্য বিশেষ কিছু বলতে চান?

কাশফিয়া নেহরিন: প্রতিটি মানুষের এক বা একাধিক মৌলিক বৈশিষ্ট্য বা স্বভাব থাকে; যেগুলো তাকে বিশিষ্ট আর অনন্য করে তোলে। তরুণ প্রজন্মের প্রতি তাই আমার আহ্বান, প্রতিদিন কেবল নিজেকে কিছুটা সময় দিন। নিজের ওপর আস্থা ধরে রাখুন, আত্মবিশ্বাসী থাকুন, সাহস রাখুন হৃদয়ে। এসব নিয়ে অন্যরা কে কী বলে বেড়ালো, তা নিয়ে মাথা ঘামিয়ে একবিন্দুও সময় নষ্ট করবেন না।

নিজেকে সুন্দর দেখতে পেলে আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায় আমাদের। আপনার জন্যই পোশাক-আশাক-সাজসজ্জা, পোশাক-আশাক-সাজসজ্জার জন্য আপনি নন। পোশাক নির্বাচনের সময় শুধু এটুকু খেয়াল রাখুন, এমন রঙ আর স্টাইল বেছে নেবেন যেটি আপনার দেহসৌষ্ঠব, ফিগার এবং আপনার মুড-স্বভাব-আচার-বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মানানসই। আপনার পোশাকে অন্যের স্টাইল নয়, বরং আপনার ব্যক্তিত্বটা ফুটে উঠুক। সবচেয়ে বড় কথা পোশাকটা যেন হয় সহজ আর আরামপ্রদ। আপনার পোশাক কম্যুনিটিতে আপনার ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে এক ধরনের ধারণা তৈরি করে।

তাই সেটাই পরুন যেটা আপনার জন্য ফিট, তা সেটা যা-ই হোক না কেন। আত্মবিশ্বাস নিয়ে হেসে উঠুন, দেখবেন দুনিয়াটাও হাসিমুখে ফিরে তাকাবে আপনার দিকে।

সোলাস্তা

সারাবাংলা: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

কাশফিয়া নেহরিন: আপনাদেরও ধন্যবাদ।

সারাবাংলা/আরএফ

Advertisement
বিজ্ঞাপন

Tags: ,

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন