বিজ্ঞাপন

সিটি নির্বাচন বাতিলের কোনো সুযোগ নেই: ইসি সচিব

February 5, 2020 | 6:50 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন বাতিলের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর। তবে আদালত চাইলে যেকোনো নির্বাচন বাতিল করতে পারেন বলেও জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ইসি সচিব বলেন, ‘নির্বাচন বাতিলের কোনো সুযোগ নাই। নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করেছে। তবে আদালত চাইলে নির্বাচন বাতিল করতে পারে। কেউ চাইলে প্রয়োজনে আদালত পর্যন্ত যেতে পারেন। আদালত যদি কোনো আদেশ দেন নির্বাচন কমিশন সেটা দেখবে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘ইভিএমে যা ভোট প্রকৃতপক্ষে দিয়েছে, ঠিক সেটাই পড়েছে। কারণ এখানে অতিরিক্ত ভোট দেওয়ার কোনো সুযোগ নাই। আঙুলের ছাপ ও আইডি কার্ড ছাড়া যেহেতু ভোট দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই সেজন্য ভোটারকে ফিজিক্যালি যেতে হয়েছে। কেন্দ্রে না গেলে ভোট দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’

ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমেও বিভিন্ন অনিয়ম হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘একজন ভোট দিতে যান নাই, অথচ তার ভোটটি পড়েছে– এরকম একটা ঘটনাও ঘটেনি। তাহলে বলা যাবে, ভোটাররা আসেননি, অথচ ভোট পড়েছে। ইভিএম সিস্টেমে ভোটার না আসলে ভোট দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ইভিএমের যে কারিগরি দিক রয়েছে, তাতে এটা সম্ভব না।’

বিজ্ঞাপন

‘প্রিজাইডিং অফিসারকে এক শতাংশ আঙুলের ছাপ শনাক্ত করার ক্ষমতা দিলেও কোথাও কোথাও এর বেশি হয়েছে’- এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘কমিশনের কাছে এ ধরনের কোনো অনুরোধ আসেনি। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছেও এ ধরনের কোনো অভিযোগ নেই। তবে করতে পারে। দুয়েকটা কেন্দ্রে হয়তো করতে পারে। এখানে ভোটার আছে ৪০০, সেখানে ৪ জনের বেশির আঙুলের ছাপ মিলছে না। এ রকম অভিযোগ ১ হাজার কেন্দ্রের মধ্যে একটি কেন্দ্র থেকে এসেছে বলে আমি শুনিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, এক শতাংশের বেশি অনুরোধ এসেছে কি না? তারা বলেছেন, আসেনি।’

বিজ্ঞাপন

নির্বাচন আপনাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল কি না জানতে চাইলে সচিব বলেন, ‘নিয়ন্ত্রণ বলতে কী বোঝাচ্ছেন, জানি না। নির্বাচন করার জন্য যে পরিবেশ থাকা দরকার, সে পরিবেশ একেবারে ৯৯ দশমিক ৯৯ ছিল। বাকি পয়েন্ট জিরো জিরো নিয়ে যদি আপনারা কিছু বলতে পারেন। তবে মারামারির কিছু ঘটনা আমরা পরে শুনেছি। নির্বাচনের পরে শুনেছি যে, একই দলের মধ্যে হয়তো বিদ্রোহী প্রার্থী আছে। তারা হাতাহাতি করেছে।’

সারাবাংলা/জিএস/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন