শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬, ৩ রজব ১৪৪১

বিজ্ঞাপন

ধাক্কাধাক্কির শাস্তি পেলেন ৩ বাংলাদেশি, ২ ভারতীয় ক্রিকেটার

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২০ | ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ

স্পোর্টস ডেস্ক

ঢাকা: গত রোববার অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচের শেষে আবেগপ্রবণ হয়ে ধাক্কাধাক্কিতে লিপ্ত হয়েছিলেন বাংলাদেশ ও ভারতের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। ফলস্বরূপ তাদের শাস্তি শুনিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। এ শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে বাংলাদেশের তিন ও ভারতের দুই ক্রিকেটারকে।

বিজ্ঞাপন

সেদিন ম্যাচ শেষে বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের হয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন অধিনায়ক আকবর আলী। কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয়নি। পুরো ঘটনা তদন্ত শেষে প্রতিবেদন আইসিসির ম্যাচ রেফারি গ্রায়েম ল্যাব্রয় যে প্রতিবেদন দিলেন তাতে বাংলাদেশের সংখ্যাটাই বেশি। অথচ ভারতের ক্রিকেটারদের অপরাধ কোন অংশে কম ছিল না।

যা হোক, তার দেওয়া প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে যে তিন বাংলাদেশি শাস্তি পেয়েছেন তারা হলেন- তৌহিদ হৃদয়, শামিম হোসেন ও রকিবুল হাসান। আর ভারতের দুজন হলেন- আকাশ সিং ও রবি বিষ্ণয়।

বিজ্ঞাপন

এদের সবাইকেই আইসিসির আচরণবিধির ২.২১ ধারা ভাঙায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।বাংলাদেশের তৌহিদ পেয়েছেন ১০টি সাসপেনশন পয়েন্ট, শামিমের সাসপেনশন পয়েন্ট ৮টি হলেও ডিমেরিট পয়েন্ট কিন্তু ৬টিই থাকছে। আর স্পিনার রকিবুল পেয়েছেন ৪টি সাসপেনশন পয়েন্ট যা ৫ ডিমেরিট পয়েন্টের সমান। এ পয়েন্টগুলো আগামী দুই বছর তাদের ক্যারিয়ারের থেকে যাবে।

আকবর ‘সরি’ বললেন, ভারত অধিনায়ক দোষ চাপালেন

এদিকে, ভারতের আকাশ সিং ৮টি সাসপেনশনসহ ৬ ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছেন। আর রবি বিষ্ণয় প্রথম অপরাধের জন্য ৫টি সাসপেনশন ও ৫ ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছেন। আর ২৩তম ওভারে অভিষেক দাস আউট হওয়ার পর বাজে ভাষা ব্যবহার করায় পেয়েছেন আরও ২টি ডিমেরিট পয়েন্ট।

বলে রাখা ভালো, ১টি সাসপেনশন পয়েন্ট মানেই একটি ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি, অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায় বা এ দলের একটি ম্যাচ থেকে বঞ্চিত।

আইসিসির শোনানো এই শাস্তি অনুযায়ী আগামী দুই বছর জাতীয় দল বা অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটে এই পাঁচ ক্রিকেটারকে এই শাস্তি ভোগ করতে হবে।

সারাবাংলা/এমআরএফ/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন