বিজ্ঞাপন

ফাইনালের ঝামেলাকারীদের কঠিন শাস্তি দাও, বিসিসিআইকে কপিল, আজাহার

February 12, 2020 | 4:07 pm

স্পোর্টস ডেস্ক

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতকে হারিয়ে শিরোপা জয় করেছে বাংলাদেশ। আর জয়ের পর মাঠের ভেতর উদযাপনের সময় দু’দলের ক্রিকেটাররা জড়িয় পড়ে অপ্রীতিকর ঘটনায়। বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের উদযাপনের সময় তাদের ওপর চড়াও হয় ভারতীয় দলের দু’জন ক্রিকেটার আর তাদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশেরও কয়েকজন। আইসিসি থেকে এই পাঁচ ক্রিকেটারকে ইতোমধ্যেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে ভারতের দুই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে আরো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করেছেন ভারতের কিংবদন্তি সাবেক দুই অধিনায়ক কপিল দেব এবং মোহাম্মদ আজাহারউদ্দিন।

বিজ্ঞাপন

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) ফাইনাল ম্যাচ মাঠে গড়ানোর পর থেকেই দু’পক্ষের ক্রিকেটাররা বেশ আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে খেলতে থাকে। শুরু থেকেই দু’দলের ক্রিকেটাররা একে অপরকে উদ্দেশ্যে উতপ্ত ভাষা বিনিময় শুরু করে। তবে ম্যাচ শেষের দিকে এই সীমা ছাড়িয়ে যায় সব মাত্রাকেই। বিশ্বকাপ জয়ের উদযাপন করতে ম্যাচ শেষ হতে না হতেই বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ছুটে যায় মাঠের ভেতরে। আর সেখনেই টাইগার ক্রিকেটারদের ওপর চড়াও হয় ভারতীয় দুই ক্রিকেটার। এক পর্যায়ে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা নিয়েও টানা হ্যাচড়া করে ভারতীয় ক্রিকেটাররা।

আর এই বিষয়ে শেষ পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে আইসিসিকেই। ম্যাচ রেফারির রিপোর্টে উঠে আসা বিষয়গুলোকে আমলে নিয়ে বাংলাদেশের তিন আর ভারতের দুই ক্রিকেটারকে বিভিন্ন মেয়াদে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে আইসিসি। তবে ভারতীয় ওই দুই ক্রিকেটারের আরো কঠিন শাস্তির জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে সুপারিশ করেছে কপিল দেব এবং মোহাম্মদ আজাহারউদ্দিন।

বিজ্ঞাপন

ভারতীয় যুবাদের ব্যবধারে বেশ ক্ষুদ্ধ হয়েছেন সবেক অধিনায়ক আজাহারউদ্দিন। এক সাক্ষাৎকারে আজাহার বলেন, ‘অনূর্ধ্ব ১৯ ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাই বলব আমি। এই তরুণ ক্রিকেটারদের শিক্ষিত করার জন্য সাপোর্ট স্টাফের ভূমিকা কী ছিল, সেটাও আমি জানতে চাই। ক্রিকেটারদের শৃঙ্খলাপরায়ণ হতে হয়। নিয়ম মেনে চলতে হয়। আগেই ওদের শেখানো উচিত ছিল। এখন তো অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে।‘

আজাহার একাই ওই ভারতীয়দের শাস্তির কথা বলেননি, তার সঙ্গে গলা মিলিয়েছেন ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কপিল দেবও। এই কিংবদন্তি বলেন, ‘আমি চাই বোর্ড দোষী ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিক। ক্রিকেট মানেই প্রতিপক্ষকে গালিগালাজ করা নয়। অনেকগুলো কারণের জন্যই যুব ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে বিসিসিআই।‘

বিজ্ঞাপন

খেলার মাঠে আগ্রাসন থাকবেই, এমনটাই মনে করেন কপিল। তবে তা যেন ভদ্রতার সীমা লঙ্ঘন না করে। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘ক্রিকেট মাঠের আগ্রাসনকে আমি স্বাগত জানাই। ক্রিকেটাররা মাঠের মধ্যে আগ্রাসন দেখাবেই, এটাতে দোষের কিছুই নেই। তবে অতিরিক্ত কোনো কিছুই মঙ্গলকর নয়। আর সীমা লঙ্ঘন করাও উচিৎ নয়। আর তাই তো মাঠের ভেতরের এমন আচরণ মেনে নেওয়া যায় না।‘

সারাবাংলা/এসএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন