বিজ্ঞাপন

ক্রিকেট খেললেন আগরতলা ও চট্টগ্রামের ক্রীড়া সাংবাদিকরা

February 13, 2020 | 5:16 am

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: একই ভাষা, একই সংস্কৃতি। জীবনযাপনের চিত্রও একই। মাঝখানের ব্যবধান শুধু কাঁটাতারের বেড়া।

বিজ্ঞাপন

তবে সেই বেড়ার দূরত্ব ঘুচিয়ে কেবল বন্ধুত্বের ডাকে সাড়া দিতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার একদল ক্রীড়া সাংবাদিক এসেছিলেন চট্টগ্রামে। অংশ নেন চট্টগ্রামের ক্রীড়া সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচে।

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচে চার রানে বিজয়ী হয়েছে চট্টগ্রাম। কলম হাতে ম্যাচেরা চুলচেরা বিশ্লেষণ করে নানা বৈচিত্র্যের খবর তৈরি করেন যারা, তাদের হাতে ব্যাট আর বল উপভোগ্য হয়ে ওঠে সবার কাছে।

সকালে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় চট্টগ্রাম একাদশ। ২০ ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে ১৩০ রান সংগ্রহ করে তারা। জবাবে চার বল বাকি থাকতেই সবকটি উইকেট হারিয়ে ১২৬ রান করে আগরতলা একাদশ। চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩১ রান করে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হন সুমন গোস্বামী।

বিজ্ঞাপন

খেলা শেষে বিজয়ী ও বিজিত দলের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামীম, চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি দিদারুর আলম চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েমনের সহ-সভাপতি শফিকুল আলম জুয়েল, আগরতলার স্যন্দন পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিক সরযূ চক্রবর্তী।

এদিকে আগরতলা থেকে আসা সাংবাদিক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটি। বুধবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের পিএইচপি ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস।

সফরকারী দলের প্রধান সরযূ চক্রবর্তী বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে এসে গর্ববোধ করি কারণ এটি বাঙালি অধ্যূষিত একমাত্র দেশ। বাংলাদেশে আমরা প্রাণখুলে কথা বলতে পারি বাংলায়। দুই বাংলার সাহিত্য-সংস্কৃতিরও যথেষ্ট মিল রয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

‘আলী আব্বাস বলেন, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী এই চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আগরতলার জনগণের সহযোগিতার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। বর্তমান সরকারের আমলে দুই দেশের মধ্যে যে ভ্রাতৃত্ববোধ রয়েছে তা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি।’

প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ। শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর প্রতিনিধি দল বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/আরডি/এসএমএন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন