সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১১ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৯ জমাদিউস-সানি ১৪৪১

বিজ্ঞাপন

বঙ্গবন্ধু চেয়ার: পরাজিত শক্তির চক্রান্ত দেখছেন চবি’র সাবেক ভিসি

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২০ | ৬:১০ অপরাহ্ণ

চবি করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ পদবি ব্যবহার না করার নির্দেশনা অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত ও অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবরে পাঠানো এক চিঠিতে সাবেক উপাচার্য ইফতেখার এই মন্তব্য করেন।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাবেক উপাচার্য ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীকে বঙ্গবন্ধু চেয়ার পদবি ব্যবহার না করার নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়। তিনদিন পর তিনি পাল্টা চিঠি দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কে এম নুর আহমদকে।

বিজ্ঞাপন

চিঠিতে ইফতেখার উল্লেখ করেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী (মুজিববর্ষ) উদযাপন ক্ষণগণনার পরিক্রমায় পুরো বাঙালি জাতি মুজিবর্ষকে অত্যন্ত পবিত্র চিত্তে, অমিত অহংবোধে গৌরবময় বিশ্ব ইতিহাসের এ অধ্যায়কে অধিকতর আলোকোজ্জ্বল করার প্রস্তুতি গ্রহণের প্রাক্কালে এ ধরনের পত্র অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত, ও অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ’

একই চিঠিতে তিনি ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের কাছে ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ারের’ সংক্রান্ত সিন্ডিকেট কার্যবিবরণী, নিয়োগ ও যোগদান পত্রসহ যাবতীয় কাগজপত্র তাকে দেওয়ার অনুরোধ করেছেন।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কে এম নুর আহমদ সারাবাংলাকে বলেন, ‘সাবেক উপাচার্য মহোদয়ের একটি চিঠি পেয়েছি। চিঠি দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গৌরবময় জীবন ও কীর্তি নিয়ে গবেষণার জন্য ২০১৭ সালের ২৭ আগস্ট চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের ৫১০ তম সভায় ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ (গবেষণা কেন্দ্র) চালুর সিদ্ধান্ত হয়। তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী নিজেই বঙ্গবন্ধু চেয়ারে আসীন হলে বিতর্ক তৈরি হয়।

সারাবাংলা/সিসি/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন