বিজ্ঞাপন

ওসির অনুরোধ, ‘আমাকে স্যার ডাকবেন না’

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০ | ১:০৪ অপরাহ্ণ

মো. আশিকুর রহমান, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

রাজবাড়ী: সম্প্রতি প্রথমবারের মতো দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর এক যৌনকর্মীর জানাজা-দাফন ও কুলখানি করে প্রশংসিত হয়েছেন রাজবাড়ীর গোয়ালন্দঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান, পিপিএম।

বিজ্ঞাপন

এ ছাড়াও একের পর এক ব্যতিক্রমী কাজ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন পুলিশের এ কর্মকর্তা। এর মধ্যে রয়েছে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর সাবেক যৌনকর্মীদের নামাজ শিক্ষা কার্যক্রম চালু ও নিজেকে স্যার না ডাকতে জনসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানানো।

রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোয়ালন্দঘাট থানার ফেসবুক আইডিতে নিজের অফিস কক্ষের দরজার সামনে টাঙানো একটি ব্যানারের ছবি পোস্ট করেন ওসি আশিকুর রহমান। যাতে লেখা রয়েছে, ‘মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, পুলিশ হবে জনতার। ইহা একজন গণকর্মচারীর অফিস। যে কোনো প্রয়োজনে এ অফিসে ঢুকতে অনুমতির প্রয়োজন নেই। সরাসরি রুমে ঢুকুন। ওসি’কে স্যার বলার দরকার নাই।’

বিজ্ঞাপন

ওসির এমন উদ্যাগকে ফেসবুকে স্বাগত জানিয়ে মন্তব্য করেছেন অনেকেই।

শামীম শেখ নামে একজন সংবাদকর্মী মন্তব্য করেছেন, ‘খুব ভালো উদ্যোগ। এটিকে সাধুবাদ জানাই।’

মো. হোসাইন নামে একজন লিখেছেন, প্রতিটি থানায় এমন সাইনবোর্ড দেওয়া উচিৎ।

রফিক বিশ্বাস লিখেছেন, ‘আপনার মতো একজন পুলিশ অফিসার প্রতি থানায় থাকলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও বেশি উন্নতি হতো।’

নিজেকে স্যার না ডাকতে অনুরোধের প্রসঙ্গে ওসি আশিকুর রহমান সারাবাংলাকে বলেন, ‘জনগণ হচ্ছেন প্রজাতন্ত্রের মালিক আর আমি প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারী। তাই মালিক কর্মচারীকে স্যার বলে ডাকবেন; এটি আমার কাছে বেমানান মনে হয়। জনগণ আমাকে অফিসার, ভাই, বাবা, চাচা যে কোনো সম্বোধন করতে পারেন।’

সারাবাংলা/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন