array(4) {
  [0]=>
  string(74) "https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2020/02/book_Feature_3-30x23.jpg"
  [1]=>
  int(30)
  [2]=>
  int(23)
  [3]=>
  bool(true)
}
array(4) {
  [0]=>
  string(74) "https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2020/02/book_Feature_2-30x23.jpg"
  [1]=>
  int(30)
  [2]=>
  int(23)
  [3]=>
  bool(true)
}
array(4) {
  [0]=>
  string(74) "https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2020/02/book_Feature_1-30x23.jpg"
  [1]=>
  int(30)
  [2]=>
  int(23)
  [3]=>
  bool(true)
}
array(4) {
  [0]=>
  string(74) "https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2020/02/book_Feature_4-30x23.jpg"
  [1]=>
  int(30)
  [2]=>
  int(23)
  [3]=>
  bool(true)
}
array(4) {
  [0]=>
  string(74) "https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2020/02/book_Feature_5-30x23.jpg"
  [1]=>
  int(30)
  [2]=>
  int(23)
  [3]=>
  bool(true)
}
array(4) {
  [0]=>
  string(74) "https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2020/02/book_Feature_3-30x23.jpg"
  [1]=>
  int(30)
  [2]=>
  int(23)
  [3]=>
  bool(true)
}
array(4) {
  [0]=>
  string(74) "https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2020/02/book_Feature_2-30x23.jpg"
  [1]=>
  int(30)
  [2]=>
  int(23)
  [3]=>
  bool(true)
}
array(4) {
  [0]=>
  string(74) "https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2020/02/book_Feature_1-30x23.jpg"
  [1]=>
  int(30)
  [2]=>
  int(23)
  [3]=>
  bool(true)
}
array(4) {
  [0]=>
  string(74) "https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2020/02/book_Feature_4-30x23.jpg"
  [1]=>
  int(30)
  [2]=>
  int(23)
  [3]=>
  bool(true)
}
array(4) {
  [0]=>
  string(74) "https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2020/02/book_Feature_5-30x23.jpg"
  [1]=>
  int(30)
  [2]=>
  int(23)
  [3]=>
  bool(true)
}
বিশ্বের সেরা ১০ বইয়ের শহর (১ম পর্ব)

বিজ্ঞাপন

বিশ্বের সেরা ১০ বইয়ের শহর (১ম পর্ব)

February 20, 2020 | 10:00 am

আমাদের এই প্রিয় শহরে অগুণতি বইয়ের দোকান। কয়েকবছর আগেও বড়সড় বইয়ের বাজার বলতে নীলক্ষেত বা বাংলাবাজারের কথা মনে আসত সবার আগে। কিন্তু বিশাল বইয়ের দোকান যেখানে চাইলেই ইচ্ছামত বই খুঁজে পাওয়া যায়, পছন্দমতো জায়গা খুঁজে নিয়ে বই পড়তে পড়তে উপভোগ করা যায় গরম কফি, এরকম বইয়ের দোকানের অভাব নেই। কিন্তু তারপরেও জনসংখ্যার ভারে নুয়ে পড়া এই নগরকে বইয়ের নগর বলা যায় কী! আমাদের এই নগরকে বইয়ের নগরী বলা না গেলেও বিশ্বে এমন কতগুলো শহর আছে; যাদের অনায়াসে বইয়ের শহর বলা যায়। আসুন অমর একুশে বইমেলার মাসে আমরা বিশ্বের সেরা দশটি বুকসিটি বা বইয়ের শহর সম্পর্কে জেনে নিই। প্রথম পর্বে রইল—সেরা পাঁচ বইয়ের শহরের কথা।

বিজ্ঞাপন

কাগজে লেখা শব্দবন্ধ নিয়ে উদযাপনের জন্য পরিচিত সংগঠন হে-অন-ওয়াই বুক টাউন বা বইয়ের শহরের সূচনা করে। আসুন জেনে নেই কোন কোন শহরকে বলা হচ্ছে বুকসিটি বা বইয়ের নগর। দ্য গার্ডিয়ান অনুযায়ী লিখেছেন রাজনীন ফারজানা

১. বেলপ্রাট, কাতালনিয়া, স্পেন
স্পেনের কাতালনিয়ার ছোট্ট শহর বেলপ্রাটকে নানাভাবেই আদর্শ বইয়ের নগর বলা যায়। রাজধানী বার্সেলোনা থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কাতালনিয়ার অ্যানোইয়া অঞ্চলের ছোট্ট সুন্দর গ্রাম। চমৎকার মধ্যযুগীয় আবহে ঘেরা বেলপ্রাটের জনগণ বইপ্রেমী দর্শনার্থীদের সাদরে আমন্ত্রণ জানাতে সদা প্রস্তুত। কাতালনিয়ার প্রথম বইয়েরও নগর এই বেলপ্রাট।

বিজ্ঞাপন

জুনের প্রথম সপ্তাহে শহরের প্রধান উৎসবজুড়ে সাজসাজ রব পড়ে যায়। উৎসব চলাকালীন শহরের অসংখ্য বাড়ি সাময়িক বইয়ের দোকানে রূপান্তরিত হয়। ঢাকা-ঘেরা মার্কেটে স্থাপিত বইয়ের দোকান তো থাকেই। এখানে সেল বা ছাড়ও দেওয়া হয় অনেক বইয়ে—তবে তা শুধু কাতালনিয়ার বইগুলোতে।

বইয়ের শহর

বেলপ্রাটকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরা ছাড়াও এই উৎসবে ফুড ব্যাংকে বইয়ের বিনিময়ে ডোনেশন দেওয়া যায়। এছাড়া বই ঘিরে আঞ্চলিক প্রকাশকদের আয়োজনে কনফারেন্স, গোলটেবিল আলোচনা আর বই পড়ার আয়োজন চলতে থাকে এই উৎসবজুড়ে।

এই শহরে আছে আজব ধরনের বুকশপ হোটেল। ক্যাল পিন্যোতা অন প্লাজা কাতালনিয়া নামক এই হোটেলের ঘরগুলো আলাদা আলাদা বইয়ের থিমে সাজানো। যেমন কাতালনিয়া অঞ্চলের বিখ্যাত গোয়েন্দা পেপ কারভালহো, ঐতিহাসিক ফিকশন ও ভ্রমণ ইত্যাদি নানা থিমে সাজানো ঘর পাওয়া যায় এই হোটেলে। বিভিন্ন সংগঠন এখানে নানারকম সৃজনশীল লেখালেখির ওয়ার্কশপ ছাড়াও সাপ্তাহিক ছুটির দিন এখানে পরিবারের সবার জন্য থিমভিত্তিক সাহিত্য উৎসব আয়োজিত হয়। যেখানে পড়ার জন্য থাকে বাছাই করা বই। থাকে গুপ্তধনের সন্ধান আর কারুশিল্প বানানোর কার্যক্রম।

২০০৮ সালে বেলপ্রাটের এক স্থানীয় বন্ধুদের সংগঠন সাদামাটাভাবে বই উৎসব উদযাপন শুরু করেছিল। একশরও কম বাসিন্দার ছোট্ট এই শহরে দর্শনার্থীদের জন্য ২০ হাজারেরও বেশি বই ছাড়ে বিক্রি হয়।

২০২০ সালের মাঝে বেলপ্রাটের আশপাশে আরও অন্তত চারটি বুকসিটি চালুর উদ্দেশে কাজ শুরু হয়েছে ইতোমধ্যে।

২. ফন্তেনি-ওল্যা-জ্যুত, ফ্রান্স

স্ট্র্যাসবার্গ থেকে ১০০ কিলোমিটার পশ্চিমের শহর ফন্তেনি-ওল্যা-জ্যুত শহরটির বুকসিটি হিসেবে পরিচিত হওয়ার আগে সাহিত্য কিংবা প্রকাশনার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক ছিল না। ১৯৯৪ সালে লেস অ্যামি দ্যু লিভা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই শহরে সৃজনশীল লেখালেখি আর পড়াশোনার সূচনা হয়। ঠিক দুই বছর পর বুক টাউনটির অফিসিয়াল উদ্বোধন করা হয়। এ ব্যপারে ফ্রান্সের সাবেক কৃষিমন্ত্রী ফ্রান্সিস গিলাউম আর ফন্তেনি-ওল্যা-জ্যুতের মেয়র জিন-ম্যারি ভানোতের অবদান অনস্বীকার্য।

বইয়ের শহর

এখানে আছে ১০টি বইয়ের দোকান আর একটা ক্যালিগ্র্যাফি স্টুডিও। প্রায় দুই দশক ধরে আয়োজন করা হয় লেখালেখির প্রতিযোগিতা। পাশাপাশি জয়ী লেখকদের লেখা নিয়ে একটা শর্ট বইও প্রকাশ করা হয়।

গ্রামটির ঠিক মাঝ বরাবর একটা সাইনপোস্ট আছে, যেটি দিকে নির্দেশ করছে বিশ্বজুড়ে ছড়ানো ছিটানো বুকসিটিগুলোর।

ফন্তেনির সবচাইতে পুরনো বইয়ের দোকান হল র‍্যু সেইন্ট-পিয়েরে অবস্থিত আ ওল্যা রিসের্সে দ্যো লিভা পেহদ্যু যার ইংরেজি ইন সার্চ অব লস্ট বুক বা হারানো বইয়ের সন্ধানে। আরেকটা আছে র‍্যু ডিভিশন ল্যুকরেকে ১৯৯৬ সালে স্থাপিত ল্যু শ্যাট ব্যোট যেখানে আছে বিশাল একটা বাকানো দরজা আর পাথরের প্রাকৃতিক দেয়াল।

৩. গোল্ড সিটিজ, ক্যালিফোর্নিয়া, ইউনাইটেড স্টেটস

১৯৯৭ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় গোল্ড সিটিজ বুক টাউন তৈরি হয়। স্থানীয় অধিবাসী গ্রে স্টলেরি এবং জন হার্ডি হে-অন-ওয়াই ভ্রমণের অভিজ্ঞতায় অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেদের শহরে বুকসিটি বা বইনগরি শুরু করে। দুটো প্রধান এলাকা গ্রাস ভ্যালি আর নেভাদা সিটি ছাড়াও কাছাকাছি পেন ভ্যালির অস্থায়ী বইবিক্রেতারা, নর্থ স্যান জুয়ান, পাইন লেকের আশপাশে প্রায় ৩০টা বইয়ের দোকান অংশ নেয় এই উৎসবে।

বইয়ের শহর

বাৎসরিক গোল্ড রাশ বুক ফেয়ার চালু করার পরেও এখানে বইয়ের দোকান লক্ষনীয় মাত্রায় কমে যাচ্ছে। নেভাদা নর্থ পাইন স্ট্রিটে স্টলেরি ও তার স্ত্রী ক্লারিন্ডা এখনো ‘টড হল বুকস’ নামে একটা বুকশপ চালান। অন্যদিকে হার্ডি বুকস শুধু অ্যাপয়েন্টমেন্টভিত্তিক কার্যক্রম চালাচ্ছে। পশ্চিম আমেরিকা ও ক্যালিফোর্নিয়ার স্থানীয় বই বেশি পাওয়া যায় হার্ডি বুকস-এ।

৪. লিলিপুটম্যের, নরওয়ে

ঠিক ধরেছেন, সেই বিখ্যাত গালিভার আর লিলিপুটের গল্পের বই থেকে যেন উঠে এসেছে লিলিপুটম্যের। নরওয়ের এই ছোট্ট গ্রামটা আসলে একটা মিনিয়েচার বা ছোট আকারের ফ্যামিলি অ্যাডভেঞ্চার পার্ক। এখানকার বইবিক্রেতারা শুধু বাচ্চাদের বই বিক্রি করে।

বইয়ের শহর

এই শহরের সবচাইতে প্রধান অংশ হলে স্টরগাটার লিলেহ্যামার শহরের অনুকরণে তৈরি মিনিয়েচার রাস্তা। রাস্তাটির দুধারের বাড়িগুলো সব ১৯৩০ সালের বাড়িগুলোর অনুকরণে কোয়ার্টার বা চারভাগের এক ভাগ আকারে বানানো। এখানে দোকান, হোটেল, ক্যাফে, বেকারি আর পুলিশ স্টেশনের পাশাপাশি ছয়টি বাড়িকে সম্পূর্ণ বাচ্চাদের বইয়ের দোকানে রূপান্তর করা হয়েছে। প্রায় সব ধরণের ১৫ হাজার বই আছে এই শহরে। শিশুদের বয়স, বইয়ের ধরণের ওপর ভিত্তিকরে এক একটা বাড়িতে আলাদা আলাদা ধরণের বই রাখা হয়েছে। পশুপাখি, রূপকথা, পরিবেশ সংরক্ষণ, কাউবয়েজ, অপরাধ, প্রকৃতি আর আউটডোর লিভিংসহ বিভিন্ন ক্যাট্যাগরিতে ভাগ করা হয়েছে বইগুলো।

৫. বিবলো টোয়েন, অসলো

১০ থেকে ১৫ বছরের বাচ্চাদের জন্য বানানো হয়েছে এই লাইব্রেরি। এখানে ঢুকতে হলে জুতা খুলে নির্দিষ্ট তাকে রাখতে হয়। বয়স্কদের প্রবেশ নিষিদ্ধ এই লাইব্রেরিতে বাবা-মা আর শিক্ষকদের জন্য রেখা টানা আছে, যেটা পার হয়ে ভেতরে ঢোকার অনুমতি নাই বয়স্কদের।

বইয়ের শহর

লাইব্রেরির উদ্যোক্তাদের মতে পাবলিক লাইব্রেরি, রেস্টুরেন্ট এরকম অনেক জায়গা বড়দের জন্য থাকলেও ছোটদের জন্য বিশেষায়িত জায়গা খুব একটা নেই। তাই তারা শুধু বাচ্চাদের একটা বইয়ের দুনিয়া গড়েছেন, যেখানে তারা বই পড়ার পাশাপাশি নানারকম ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করে। বাচ্চারা এখানে স্কুল থেকে সরাসরি চলে আসতে পারে। এসে হোম ওয়ার্ক করতে পারে, আছে খাবারের ব্যবস্থাও। তবে এখানে স্কুলের কোনো বই পাওয়া যায় না। জায়গাটা শুধু শিশুদের যা ইচ্ছা তাই করার জন্য, যা ইচ্ছা তাই বই পড়ার জন্য। ক্যাটেগরি অনুযায়ী বই রাখা হয় এখানকার ঝুলন্ত বইয়ের তাকগুলোতে।

বিবলো টোয়েনের অন্দরসজ্জাও বেশ বৈচিত্র্যময়। বিশ্বের নানা জায়গা থেকে আনা রি সাইকলড বা পুনঃউৎপাদিত নানা জিনিস দিয়ে সাজানো বাচ্চাদের এই বইয়ের স্বর্গ। যেমন, ইতালি থেকে আনা পুরনো একটা পিয়াজ্জো কারকে ওয়ার্কশপ কারে রূপান্তর করা হয়েছে। অস্ট্রিয়া থেকে আনা স্কি লিফট, পোল্যান্ড থেকে আনা কাঠের মেঝে, আয়ারল্যান্ড থেকে আনা জিমিন্যাস্টিকস ফ্লোর—এরকম নানা রকম বৈচিত্র্যময় জিনিস বাচ্চাদের কাছে একইসঙ্গে শিক্ষনীয় আবার আনন্দময়ও।

সারাবাংলা/আরএফ/এমআই

Advertisement
বিজ্ঞাপন

Tags:

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন