বিজ্ঞাপন

শিল্পকলার মাঠে বিচিত্র স্বাদের বাহারি পিঠার উৎসব

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২০ | ৯:০০ পূর্বাহ্ণ

এন্টারটেইনমেন্ট করেসপন্ডেন্ট

জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদ ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যৌথ আয়োজনে আজ (রোববার) শুরু হচ্ছে দশ দিনব্যাপী ‘জাতীয় পিঠা উৎসব ১৪২৬’। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়’র পৃষ্ঠপোষকতায় ১৩তম এই উৎসব চলবে ৩ মার্চ পর্যন্ত।

বিজ্ঞাপন

আজ বিকেল ৫ টায় ‘জাতীয় পিঠা উৎসব’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী জনাব কে এম খালিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মঞ্চসারথি আতাউর রহমান, নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার ও নৃত্যশিল্পী মিনু হক।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এই আয়োজনের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ম. হামিদ। তিনি বলেন, ‘এবারের উৎসবে প্রায় ৫০টির মতো স্টলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পিঠাশিল্পীরা প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রকমারি পিঠার পসরা সাজিয়ে বসবেন শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে। চল্লিশটির মতো জেলার নানান রকমের বৈচিত্রময় স্বাদের বাহারি পিঠা ভোজন রশিকদের রসনায় জোগাবে ব্যতিক্রম আনন্দ। আশা করি এবারের উৎসবে প্রায় ২০০ রকমের পিঠা উপস্থাপন করবেন পিঠাশিল্পীরা।’

সংবাদ সম্মেলনে ম. হামিদ আরও বলেন, ‘হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার হিসেবে আমাদের বর্তমান ও আগামী প্রজন্মকে নিজেদের কৃষ্টি, সংস্কৃতি এবং লোকায়ত শিল্পের প্রতি আকৃষ্ট করে তোলার লক্ষ্যেই ২০০৮ সাল থেকে কফি হাউজের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদ আয়োজন করছে এই উৎসব। একাদশ জাতীয় পিঠা উৎসব থেকে এ আয়োজনে সরাসরি যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এবং বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়। বিগত চার বছর ধরে তারা এই আয়োজনে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করছে।’

এবারই প্রথমবারের মতো ঢাকার বাইরেও আয়োজন করা হয়েছিল এই উৎসবের। গত ১৮ থেকে ২১ জানুয়ারি সিলেটে এবং ১৭ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীতে আয়োজিত হয়েছে ‘জাতীয় পিঠা উৎসব’। আয়োজকদের প্রত্যাশা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আগামী চতুর্দশ জাতীয় পিঠা উৎসব দেশের সকল বিভাগীয় শহরে আয়োজন করা হবে।

সারাবাংলা/এএসজি/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন