বিজ্ঞাপন

আফতাব বললেন, ‘এটা গুলতেকিনের’, গুলতেকিন বললেন ‘আমাদের’!

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২০ | ১২:১৮ অপরাহ্ণ

পার্থ সনজয়

এর আগেও তাদের দু'জনের কাব্যনাটক প্রকাশিত হয়েছে। 'মধুরেণ' নামে সেই কাব্যনাটকে গুলতেকিন খানের ৪ টি কাব্য নাটক ছিলো। আফতাব আহমেদের ৬টি। তবে এবার প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল কাব্যপোন্যাস 'খোঁজে'র। আফতাব আহমেদ বলছিলেন, 'রোডট্রিপের ওপর এবারের কাব্যপোন্যাসটির পুরো কাঠামো গুলতেকিনের। আমি শুধু কতগুলো কবিতা জুড়ে দিয়েছি। তাই এটাকে গুলতেকিনেরই বলা যায়।'

বিজ্ঞাপন

মুখের কথা কেড়ে নিয়ে গুলতেকিন বললেন, 'না, এটা আমাদের'। বলেই দুজনের মুখেই হাসির রেখাটা ছড়িয়ে পরলো অজানা অনুভবে।

তবে এবারের মেলায় 'খোঁজে'র খোঁজ মিলছে না। দায়টা আফতাব আহমেদই নিলেন। বললেন, 'গুলতেকিনের অংশ তিনি শেষ করেছেন। আমি বরং শেষ করতে পারিনি'।

বিজ্ঞাপন

ছুটির শনিবার সন্ধ্যায় অমর একুশে বইমেলায় দুজনই ঘুরছিলেন। সেই ঘোরাঘুরির মুহূর্তেই দু'জনে মুখোমুখি হলেন আমাদের।
কবি গুলতেকিন খানের কবিতার বই 'চল বিশাখা, বিষুব ছেড়ে' এর মধ্যেই মেলায় এনেছে তাম্রলিপি প্রকাশনী। গুলতেকিন বললেন, ' ২০১৬ সালে আমার প্রথম কবিতার বই বের হয়। তার পরের বছর দুইটা। তারপর একটা। গেলো বছর আরো একটা। আর এ বছরেরটি অনুবাদ করা কবিতার। ২৪ জন কবির কবিতা আমি অনুবাদ করেছি। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, কুয়েত, মরক্কো, মিশর, ইউক্রেন, চিলি, ভারতসহ আরো কয়েকটি দেশের কবির কবিতা রয়েছে।'

আরো একটু যোগ করে গুলতেকিন বললেন, 'পাঠক কতটা গ্রহণ করেছে, জানি না। গেলোবার আমার যে কবিতার বইটা বের হলো 'বালিঘড়ি উল্টে যেতে থাকে'-তা আমার কাছে বেশ ভালো মনে হয়েছে। কিন্তু পাঠকরা বোধহয় তেমন কেনেনি। আমিও গেলোবার মেলায় খুব একটা আসিনি। কিন্তু আমার মনে হয়, কবিতার বই পাঠকরা খুব একটা পড়ে না। তবে জোর করে তো পড়াতে পারব না। লিখে যাচ্ছি। এখন না কিনলেও কোন এক সময় কারো ভালো লাগতে পারে'।

আবার ফিরলাম প্রকাশ না হওয়া বইটি প্রসঙ্গে। আফতাব আহমেদই বললেন। 'কাব্যপোন্যাসটি ভিন্ন স্বাদের। রোডট্রিপের ওপর কবিতা সাধারণত লেখা হয় না। উপন্যাসও যে বেশী হয়েছে তাও নয়। এটি মূলত ৪ টি রোডট্রিপের ওপর একটি কাব্যপোন্যাস।'

শেষ প্রশ্নটা ছিল, দু'জনের মধ্যকার লেখাকে ঘিরে যে ক্যামিস্ট্রি, তা নিয়ে। আফতাব আহমেদ বললেন, 'দুজনেই দুজনার অনুপ্রেরণা। তা না হলে তো কিছুই লেখা হতো না। এটা আরেক ধরনের অনুভূতি। বোঝানো মুশকিল। খুব স্বাভাবিক জীবন যাপন করলে যা হতো, তার চেয়ে বেশী।'

অন্যদিকে শেষ প্রশ্নের উত্তর শুধু হাসিতেই দিলেন গুলতেকিন।

সারাবাংলা/পিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন