array(4) {
  [0]=>
  string(80) "https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2020/02/FB_IMG_1582524130034-30x23.jpg"
  [1]=>
  int(30)
  [2]=>
  int(23)
  [3]=>
  bool(true)
}
array(4) {
  [0]=>
  string(80) "https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2020/02/FB_IMG_1582524156281-30x23.jpg"
  [1]=>
  int(30)
  [2]=>
  int(23)
  [3]=>
  bool(true)
}
array(4) {
  [0]=>
  string(80) "https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2020/02/FB_IMG_1582524130034-30x23.jpg"
  [1]=>
  int(30)
  [2]=>
  int(23)
  [3]=>
  bool(true)
}
array(4) {
  [0]=>
  string(80) "https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2020/02/FB_IMG_1582524156281-30x23.jpg"
  [1]=>
  int(30)
  [2]=>
  int(23)
  [3]=>
  bool(true)
}

বিজ্ঞাপন

এক বছরে ১০টি গিনেস বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন বাংলাদেশের কনক!

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২০ | ১:১৪ অপরাহ্ণ

জাহিদ-ই-হাসান, স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: যেন রেকর্ড গড়ার গভীর নেশায় মেতেছেন বাংলাদেশের তুর্কি কনক কর্মকার। একটি-দুটি করে গুণে গুণে ১০টি গিনেস বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন। ১০টি রেকর্ডই ভেঙেছেন মাত্র এক বছরের মাথায়। রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলায় মত্ত থাকা এই নোয়াখালির বাসিন্দাই এখন দেশের সর্বোচ্চ গিনেস রেকর্ডধারি ব্যক্তি।

বিজ্ঞাপন

গেল বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি প্রথমবার গিনেস বুকে নাম লেখানোর যাত্রা শুরু করেছিলন কনক কর্মকার। কপালে ১ হাজার ১৫০টি কাগজের কাপ (গ্লাস) ৬৬ সেকেন্ড রেখে রেকর্ড গড়ে প্রথমবার রেকর্ডবুকে নাম লিখিয়েছিলেন ২০ বছরের এই যুবক। এরপর সবশেষ রেকর্ড গড়েছেন হাটুতে ফুটবল এক মিনিটে সর্বোচ্চ বার স্পর্শ করার রেকর্ড। আমেরিকার এক যুবকের এক মিনিটে ১৫১ বার হাটুতে স্পর্শ করার রেকর্ড ভেঙেছেন কনক। ১৬৩ বার হাঁটু স্পর্শ গড়ে নতুন রেকর্ড গড়েছেন তিনি।

গত বছরের ডিসেম্বরের ২৭ তারিখ গিনেস কর্তৃপক্ষ তার রেকর্ডকে স্বীকৃতি দিয়েছে। ফুটবল নিয়ে বিভিন্ন কসরত করার অনেক রেকর্ডও তার দখলে।

বিজ্ঞাপন

এক বছরে ১০টি গিনেস রেকর্ড ভাঙার পর নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে, 'থেমে যেতে নয় বরং চলতে শেখার নামই বোধহয় জীবন। জীবনে যতবার নিজের অর্জনকে ছাড়িয়ে যাওয়া যায়, ততবারই মনে হয় বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা পেয়ে থাকি খুব শক্তভাবে। এই বেঁচে থাকার প্রেরণা আমাকে পথ দেখিয়ে দেয় ইতিহাস তৈরী করার। সে পথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ১ বছরে ১০টি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের পরিসংখ্যান দেখে বেশ তৃপ্ত হই। ভাবি যে, জীবন তো সুন্দরই। তখন অনেক প্রতিহিংসার ভীড়েও বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা পাই।'

নিজের অনুভূতির কথা সারাবাংলাকে জানিয়ে কনক বলেন, 'খুবই ভাল লাগছে। দেশের নামটা বিশ্বের বুকে তুলে ধরতে সবসময় ভাল লাগে। একটা মিশন থেকেই এই রেকর্ড গড়া। চেয়েছিলাম এক বছরে ১০ টি রেকর্ড গড়বো। সেটি করতে পেরে ভাল লাগছে।'

এই রেকর্ড গড়ার অনুপ্রেরণা দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকেই পান বলে জানান কনক, 'প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা ছিল আগে থেকে। এখনও দেখা হয়নি। আশা করছি দেখা হবে। আমাকে উৎসাহ দিবেন তিনি।'

এখানেই থেমে যেতে চান না কনক। সামনের মাসেই একটি চমক নিয়ে আসছেন। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদযাপনের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর সম্মানে একটা রেকর্ড গড়তে চান তিনি। এখনই বিস্তারিত কিছু বলতে চান না। চমক হিসেবেই রাখতে চান কনক, 'মার্চে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ও স্বরণ করে একটা রেকর্ড করার চেষ্টা করবো। বিস্তারিত বলতে পারছি না। চমকই থাক।'

বর্তমানে তিনি ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে পাওয়ার টেকনোলজি নিয়ে শেষ বর্ষে পড়াশুনা করছেন। পৈত্রিক নিবাস কুমিল্লার লাকসামে হলেও স্থায়ীভাবে নোয়াখালিতেই পরিবারসহ থাকেন। বাবা বাবুল কর্মকার প্রবাসী। মা শিল্পী কর্মকার গৃহিনী। ভাই-বোনের মধ্যে বড় কনক।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন