বিজ্ঞাপন

অপহরণের ১০ দিনেও সন্ধান মেলেনি ইউপি সদস্যের

February 28, 2020 | 3:30 am

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

রাঙ্গামাটি: রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ের রাইখালী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য মংচিং মারমাকে অপহরণের পর দশদিন অতিবাহিত হলেও এখনো সন্ধান মেলেনি। অপহরণের ঘটনায় অপহৃত ইউপি সদস্যের স্ত্রী থানায় একটি জিডি করেছেন। তবে পুলিশ বলছে, অপহৃতকে উদ্ধারে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে ইউপি সদস্যকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাইখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রভিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে অপহৃতের স্ত্রী সামাউ মারমা, অপহৃতের মেঝ ছেলে হ্লাচাই মারমা, পরিবারের সদস্য, রাইখালী ইউনিয়নের প্রাক্তন ও বর্তমান ইউপি সদস্যসহ ইউনিয়নবাসী উপস্থিত ছিলেন।

অপহৃত ইউপি সদস্যের বড় ভাই আবুমং মারমা বলেন, ‘আমার ভাই মংচিং মারমাকে যারা অপহরণ করেছে তাদের কাছে অনুরোধ ভাইয়ের ছোট শিশু সন্তানের দিকে তাকিয়ে তাকে মুক্তি দেওয়া হোক। ভাইয়ের জন্য আজ পরিবার-স্বজন সবাই কাঁদছেন।’

বিজ্ঞাপন

রাইখালী ইউপি সদস্য মংনুচিং মারমা বলেন, ‘রাইখালী এলাকা এখন সন্ত্রাসের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। একের পর এক হত্যা, অপহরণ ও ডাকাতির মতো ঘটনা ঘটায় এলাকাবাসী চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।’ তিনি অবিলম্বে ইউপি সদস্য মংচিং মারমা মুক্তির দাবি জানান।

রাইখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. এনামুল হক বলেন, ‘ইউপি সদস্যকেই সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। ঘটনার দশদিন অতিবাহিত হলেও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।’ অপহৃতের পরিবারের ছোট ছোট কোমলমতী শিশুদের দিকে তাকিয়ে হলেও তাকে মুক্তি দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

উল্লেখ্য, রাইখালী ইউনিয়নের কারিগর পাড়ার নিজ ঘর থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে ইউপি সদস্য মংচিং মারমাকে মুখোশধারী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ঘটনার তিনদিন পর ২১ ফেব্রুয়ারি তার স্ত্রী চন্দ্রঘোনা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

এ প্রসঙ্গে চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশ্রাফ উদ্দিন বলেন, ‘অপহৃত ইউপি সদস্যকে উদ্ধারে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

সারাবাংলা/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন